সোনারগাঁও উপজেলা প্রশাসনে শুদ্ধি অভিযান,একই দিনে তিন কর্মকর্তার বদলী।



সদ্য সংবাদঃ
 নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও উপজেলাকে দূর্নীতিমূক্ত করতে শুদ্ধি অভিযানে নেমেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম। উপজেলা প্রশাসনকে  দুর্নীতিমুক্ত রাখার অংশ হিসেবে উপজেলা অফিস সহকারী সহ তিন কর্মকর্তাকে  একযোগে বদলি করা হয়েছে। 

গতকাল ( ৯ জুলাই ) বৃহস্পতিবার এই বদলি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মোঃ জসিম উদ্দিন। বদলি করা হয়েছে উপজেলা নির্বাহী অফিসার  কার্যালয়ের সিএ মোঃ রাশেদুল ইসলামকে। তার বর্তমান বদলীর স্থান ফরিদপুর জেলায়। অফিস সহকারী মোঃ মিজানুর রহমান এবং অফিস সহকারী ফৌজিয়া আক্তারকে আড়াইহাজার উপজেলায় বদলী করা হয়েছে।

 সুত্র থেকে পাওয়া , মোঃ মিজানুর রহমান একজন অফিস সহকারী হয়েও সোনারগাঁওয়ে তার কয়েকটি বাড়ী রয়েছে। দীর্ঘ ২৮ বছর যাবত মিজান সোনারগাঁয়ে কর্মরত। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন পৌরবাসী জানায় মিজান দীর্ঘদিন যাবৎ উপজেলায় একটি সিন্ডিকেট তৌরি করে তা থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন। 
সিএ রাশেদ ৮ বছর ধরে সোনারগাঁয়ে কর্মরত তিনিও এখন একাধিক বাড়ীর মালিক। 
এই দুইজন কর্মচারীই ক্ষমতাধর একটি বিশেষ মহলের মদদপুষ্ট। এছাড়া ফৌজিয়া আক্তার  কমিশনার অফিসের একজন কর্মচারী মোঃ আক্তার হোসেনের স্ত্রী। তিনিও তার স্বামীর ক্ষমতা দেখিয়ে ধরাকে সরাজ্ঞান করতেন। তার স্বামী আক্তার হোসেন একজন কর্মচারী হয়েও নিজেকে কমিশনারের পিএস বলে সোনারগাঁওয়ে পরিচয় দিয়ে থাকেন।

বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা যোগদানের মাত্র ৪ মাসের মধ্যেই ইঞ্জিনিয়ার অফিসের দূর্নীতিবাজ দুইজন সহ উপজেলায় বালুমহল, দূর্নীতিবাজ  ঠিকাদার, হাটবাজার ইজারা ও নদী খাল দখল সিন্ডিকেটের এক ডজন কর্মচারীকে বদলি করেছেন।

 
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান বাংলাদেশ সরকারের নির্দেশিত দূর্নীতিমুক্ত রাষ্ট্র গড়ার যে আদেশ আমার উপর অর্পিত তা বাস্তবায়নে যেখানে যা করার তার সবই আমি করবো। এতে ব্যাক্তি বিশেষের ক্ষতি হলেও সমাজের বড় একটা অংশ সাধারণ মানুষের সেবা প্রদানে বিশাল উপকারে আসবে।
ইনশাল্লাহ্ দূর্নীতিবাজ যত ক্ষমতাধর ব্যক্তিই হোক না কেনো তাকে ছাড় দেয়া হবে না।


No comments

Powered by Blogger.