বিপ্লবী হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গজেব এর ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী।

 
সদ্য সংবাদ ডেস্কঃ  আজ (৩-৮-২০২০) মহান বিপ্লবী বীর মুক্তিযোদ্ধা সাবেক ছাত্র ও যুবলীগ নেতা হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গ জেব এর ৭ম মৃত্যু বার্ষিকী।

১৯৭৫ সালের ১৫আগস্ট  বঙ্গবন্ধু সপরিবারে শহীদ হবার পরে যাঁরা সশস্ত্র বিপ্লবে নাম লিখিয়েছিলেন একে এম হেমায়েত উল্লাহ আওরঙ্গ ছিলেন তাঁদের মধ্যে প্রধানতম একজন।
 সেই সময়ে প্রয়োজনের তাগিদে ঘাতকদের মোকাবিলা করতে আওয়ামী রাজনীতিতে সশস্ত্র বিপ্লবী রাজনীতির প্রবক্তা  ছিলেন আওরঙ্গজেব। ছাত্র রাজনীতি থেকে যুব রাজনীতি এবং বিপ্লবী রাজনীতিককেও শিল্পের রূপ দিয়েছিলেন তিনি।
 ১৯৮১ সালে  জননেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফেরার পর পার্শ্ববর্তি দেশ  ভারতে আশ্রয় নেওয়া আওরঙ্গ ফিরে আসার কথা ছিলো। অনেক গুলো মামলা হুলিয়া থাকার কারনে পরে ৯০ এর গণঅভ্যুত্থানের সময় ভারত থেকে এসে নেত্রীর আশ্রয়ে বত্রিশ নম্বরের বাড়িতেই উঠেছিলেেন ।  
১৯৯১ সালে  বিএনপি  ক্ষমতাসীন হলে এমপি হয়েও এরেস্ট হতে হয় তাকে। দীর্ঘ কারাভোগের পর ১৯৯৬  সালে আওয়ামী লীগ এমপি নমিনেশন না দিলে নির্বাচন না করে নিরব থাকেন। জননেত্রী  শেখ হাসিনার আশির্বাদপুষ্ট  স্বাধীন চেতা বিপ্লবী এই  মানুষটি ক্ষমতাসীন দলের  পরিবর্তিত জৌলুসের সাথে  খাপ খাওয়াতে না পেরে  অনেকটা অন্তরালে চলে  যান। 

২০০১ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করে বিপুল ভোটে এমপি হয়ে আসেন। ২০০১  সালে  বিএনপি  ক্ষমতায়, শুরু হলো মানুষ মারার লাইসেন্স অপারেশন ক্লিনহার্ট।  এই সময়ে এরেস্ট হন এবং নির্যাতনের শিকার হয়ে নিজ অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে বলা চলে জীবনে বেঁচে থাকার তাগিদেই তৎকালিন সরকারের চাপে এবং দলের মধ্যে বিভাজন সমস্যায় পড়েন। 

আর তখনই আওয়ামীলীগের ভ্যানগার্ড খ্যাত বঙ্গবন্ধুর সোনার ছেলে,শহীদ শেখ কামালের সহকর্মী বিপ্লবী আওরাঙ্গকে ছিটকে ফেলে দেয়া হয় আওয়ামী রাজনীতি থেকে। 

১৯৭৫ সালের পরে ঢাকা শহরসহ সারা বাংলাদেশে ছাত্রলীগ ও আওয়ামী রাজনীতিকে টিকিয়ে রাখতে যে নেতা বিপ্লবকে বেছে নিয়ে ছিলেন সেই তাকেই কতিপয়   ক্ষমতার দাপটকারি নেতাদের কারণে নেত্রীর আশির্বাদ থেকে বঞ্চিত হতে হয়েছিল ১৯৯৬ সালের পরে। বসিয়ে দেওয়া হলো আওয়ামী রাজনীতির পতকাতল থেকে। 
চাইলেই সকল ত্যাগী বিপ্লবী নেতাদের আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার সুযোগ ভাগ্যে জোটে না।
 যাঁদের বিপ্লবের ফসল আজকের এই আওয়ামী লীগ, হেমায়েতউল্লাহ আওরঙ্গজেব তাদের মধ্যে অন্যতম। তিনি সাধারণ থেকেও ছিলেন অসাধারণ! দলকানা একজন বঙ্গবন্ধুর সৈনিক। 
বিনম্র শ্রদ্ধা তার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকীতে।
Marcadores:

Post a Comment

[blogger]

যোগাযোগের ফর্ম

Name

Email *

Message *

Theme images by merrymoonmary. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget