কাঁচাপাটের বাজার স্থিতিশীল রাখতে পাটের মজুদদারদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার দাবী।





সদ্য সংবাদ ডেস্কঃ

কাঁচাপাটের বাজার স্থিতিশীল রাখতে পাটের মজুদদারদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার উদ্যেগ নেওয়ার দাবী জানিয়েছে বাংলাদেশ জুট এসোসিয়েশন। 

বুধবার দুপুরে বিজেএ নারায়ণগঞ্জ কার্যালয়ে কাঁচাপাট ব্যবসায়ী ও রপ্তানীকারকদের সাথে এক জরুরী সভায় এসোসিয়েশনের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আরজু রহমান ভূইয়া এমন দাবী জানান।

আরজু রহমান ভূইয়া বলেন, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী (বীর প্রতীক) কাঁচাপাটের বাজার স্থিতিশীল রাখার পরামর্শ দিয়েছেন। তার পরামর্শকে গুরুত্ব দিয়ে জরুরী সভার আয়োজন করেছি। একশ্রেনীর মানুষ অবৈধভাবে পাট মজুদকরে কৃত্রিম সংকট দেখিয়ে বাজারকে অস্থিতিশীল করতে চায়। যার প্রভাব কাঁচাপাট ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে রপ্তানীকারকদের উপরে পরে। বাংলাদেশ পৃথিবীর একমাত্র দেশ যেখান থেকে বিভিন্ন দেশে পাট রপ্তানী করা হয়। আমরা রপ্তানীকারকদের সহযোগীতা করতে চাই। রপ্তানী কাজে কোন প্রতিবন্ধকতা সৃস্টি করা যাবে না।

তিনি বস্ত্র ও পাট মন্ত্রীকে আহবান জানিয়ে বলেন, প্রাচ্যেরডান্ডি নারায়ণগঞ্জকে আবারও প্রাচ্যের ডান্ডি খ্যাত ফিরিয়ে দিতে আমরা চাই নারায়ণগঞ্জের যেকোন একটি স্থানে পাট রপ্তানীকারক পক্রিয়া জোন স্থাপন করুক। এছাড়া দেশের আরও কয়েকটি এলাকাতে এমন জোন স্থাপন করলে পাট ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবে।

এ সময়ে, কাঁচাপাট চোরা চালান রোধ করা। গ্রামে, গঞ্জে এবং হাটে অবৈধ পাটের মজুদদারদের প্রতিরোধ করা। পাটের মজুদদারদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা উদ্যোগ নেওয়া। 

পাটের মূল্য বৃদ্ধির উর্দ্ধগতির মূল কারন জুট স্পিনার্স ও জুট মিলগুলো, কাজেই ডি.জি কর্তৃক স্পিনার্স এবং জুট মিল সমূহের মজুদ পাটের মনিটর করা। পাট রপ্তানীকারকদেরর রপ্তানী আদেশের উপর পাট ক্রয় করা। পাট ক্রয়ের ক্ষেত্রে অস্বাভাবিক প্রতিযোগীতা বন্ধ করা এবং বাজারকে স্থিতিশীল রাখার জন্য প্রতি মন ২৪শ’ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। নারায়ণগঞ্জস্থ রপ্তানীকারকদের নিয়ে বাস্তবভিত্তিক মার্কেট রিপোর্ট কমিটি গঠন করা এবং পাট সংকটের গুজবে কান দেওয়া ও এ বিষয়ে প্রত্যেককে সময়পোযোগী পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়।


এসএস/বি



No comments

Powered by Blogger.