June 2020
1 SPORTS 1 TECHNOLOGY 2 অজ্ঞাত লাশ-সোনারগাঁও 4 অনিয়ম 1 অনিয়ম- শহীদ মিনার নির্মাণ 1 অনুদান 1 অপমৃত্যু-সোনারগাঁও 1 অপরাদ 39 অপরাধ 18 অপরাধ দমন 1 অপরাধ দমনে ভ্রাম্যমান আদালত 22 অপরাধ সোনারগাঁ 1 অফিস উদ্ধোধন 1 অভিনন্দন 1 অর্জন 1 অস্র উদ্ধার 3 আইনশৃঙ্খলা 12 আড়াইহাজার 4 আদালত 1 আন্তর্জাতিক 1 আশ্চার্য 1 ইফতার ও মাক্স বিতরণ-সোনারগাঁও 2 ঈদ উপহার-সোনারগাঁও 1 ঈদ কেনাকাটা -সোনারগাঁও 5 ঈদ শুভেচ্ছা 1 উদ্ধার 1 উদ্যোক্তা 6 উন্নয়ন 2 কক্সবাজার 1 কারাগার নারায়ণগঞ্জ। 2 কুড়িগ্রাম 3 কৃষকের ভাবনা 1 খুন 6 খেলাধুলা 2 গ্রেফতার -নারায়ণগঞ্জ 1 গ্রেফতার -সোনারগাঁও 3 চট্টগ্রাম 1 চাকরি 1 চাঁদপুর 2 চিকিৎসা 1 চুরি 2 জন দূর্ভোগ 1 জনসেবা ও পুলিশ 1 জনস্বার্থ 3 জন্ম উৎসব 1 জন্মদিন 3 জন্মশতবার্ষিকী পালন 96 জাতীয় 1 জাতীয়। 1 জালিয়াতি 1 টাঙ্গাইল 1 ঢাকা 1 তথ্য 1 তদন্ত 4 ত্রাণ বিতরণ 1 ত্রাণ বিতরন-বন্দর 1 দুর্যোগ 6 দূর্ঘটনা 1 ধর্ষন 1 নগদ অর্থসহায়তা 9 নারায়ণগঞ্জ 1 নারায়ণগঞ্জ সদর 39 নারায়াণগঞ্জ 1 নারায়াণগঞ্জে অস্রের লাইসেন্স। 4 নির্বাচন 3 নির্বাচন সোনারগাঁও 1 নৌকাডুবি 1 পরিচ্ছন্নতা 4 প্রতিবাদ 1 প্রতিবাদ সভা 1 প্রতিবাদ সোনারগাঁ 4 প্রধানমন্ত্রীর উপহার-সোনারগাঁও 2 ফতুল্লা নারায়ণগঞ্জ 1 বন্দর মডেল প্রেসক্লাব 3 বন্দর-নারায়ণগঞ্জ 1 বন্দর(নারায়ণগঞ্জ) 2 বহিঃবিশ্ব 2 বহিষ্কার 1 বাক্ষণবাড়িয়া 1 বানিজ্য 1 বাল্য বিবাহ বন্ধ 1 বিট পুলিশিং সোনারগাঁ 1 বিশ্ব 1 বিশ্ব বাজার 1 ব্যবসা বানিজ্য 1 ভিত্তিপ্রস্তর 1 ভূয়া কর্মকর্তা গ্রেফতার 1 ভ্রাম্যমান আদালত-সোনারগাঁও 1 মাদক উদ্ধার-নারায়ণগঞ্জ 1 মাদারীপুর 1 মানবতার সেবা 1 মানবন্ধন 1 মানবিকতা 1 মানিকগঞ্জ 1 মামলা 1 মাস্ক বিতরণ 1 মিডিয়া 2 মিডিয়া সংবাদ 3 মৃত্যু 1 রক্তদান 6 রাজনীতি 1 রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন 1 রূপগঞ্জ 1 র‌্যাব নারায়ণগঞ্জ 2 র‌্যাবের হাতে গ্রেফতার 2 লকডাউন 3 শোক 4 শোক বার্তা 1 শোখ নিউজ 1 সংবাদ সম্মেলন 1 সভা-প্রতিবাদ 2 সারা বাংলা 3 সারাবাংলা 1 সিদ্ধিরগঞ্জ 1 সিনেমা 1 সেবা 3 সোনারগাঁ 1 সোনারগাঁ যাদুঘর 103 সোনারগাঁও 1 সোনারগাঁও জার্নালিষ্ট ক্লাব-নারায়ণগঞ্জ 1 সোনারগাঁও থানা পুলিশ 1 সোনারগাঁও থানা মসজিদ 2 সোনারগাঁও থানা(নারায়ণগঞ্জ) 2 সোনারগাঁও পৌর নির্বাচন 1 সোনারগাঁও মানবন্ধন 15 সোনারগাঁও রাজনীতি 3 সোনারগাঁও। 1 সোমারগাঁও 1 স্বাস্থ্য 1 স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা 1 হত্যার হুমকি

সদ্য সংবাদঃ 
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে করোনার উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া মোঃ মোতালেব মিয়ার (৬০) দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।

নিহত মোতালেব মিয়া নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের ডহর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা ও মোগরাপাড়া চৌরাস্তা বাস স্ট্যান্ড এলাকায় অবস্থিত শাহ্ পরান লাইব্রেরীর কর্নধার।

তিনি বেশকিছু দিন ধরে জ্বর ঠান্ডা গলা ব্যাথায় ভুগছিলেন পরে গত ২৫ জুন বৃহস্পতিবার পরিবারের সদস্যরা চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে রবিবার সকাল আটটার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। 

নিহতের পরিবারের সদস্যরা লাশ দাফনে সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি তার স্বেচ্ছাসেবক টিম, নারায়ণগঞ্জ ৩ আসনের সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার স্বেচ্ছাসেবক টিম ও সোনারগাঁও জার্নালিস্ট ক্লাবের সাংবাদিকরা নিহতের বাড়িতে উপস্থিত হয়। 

পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের নেতৃত্বে সব স্বেচ্ছাসেবক ও সোনারগাঁও জার্নালিস্ট ক্লাবের সদস্যরা করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির লাশের গোসল শেষ করেন। বাদ আছর মোগরাপাড়া দরগাহ বাড়ি শাহী মসজিদ প্রাঙ্গণে জানাজা নামাজ শেষে দরগাহ বাড়ি কবরস্থানে দাফন কাজ সম্পন্ন করা হয়।

জানাজায় নিহত মোতালেব মিয়ার পরিবারের সদস্যরা ছাড়াও আত্মীয় স্বজন ও এলাকাবাসী অংশগ্রহণ করেন।

সদ্য সংবাদঃ নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও‌ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলাম সম্পূর্ণ নিজ অর্থায়নে ও নিজ উদ্যোগে সাড়ে সাত শত বৃক্ষ রোপণ করেছেন আজ।

 শনিবার (২৭ জুন) সকালে নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলাম সোনারগাঁওয়ের ২৬ টি স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে উপজেলার বারদী‌ ইউনিয়নের মেঘনা নদী বেষ্টিত নুনের টেক এলাকায় অবস্থিত সৌন্দর্যে ঘেরা অবহেলিত মায়া দ্বীপে তিনি কৃষ্ণচূড়া, পলাশ, শিমুল, মেহগনি - সহ বিভিন্ন ফলদ ও বনজ বৃক্ষ রোপণ করেন।

 বৃক্ষ রোপন শেষে, অংশগ্রহণকারী স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের সদস্যদের সঙ্গে মেঘনা নদীর স্বচ্ছ পানিতে গোসল করেন এবং সবাইকে নিয়ে মধ্যাহ্নভোজ করেন।

এসময় সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন,
সৃষ্টির সূচনালগ্ন থেকে মানুষ ও অন্যান্য প্রাণী বৃক্ষের উপর প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নির্ভরশীল। বৃক্ষ পরিবেশ ও প্রকৃতি জীবজগতের পরম বন্ধু। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি মানুষের জীবন ও জীবিকা নির্বাহে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বৃক্ষ। দৈনন্দিন জীবনে আমাদের বেঁচে থাকার জন্য অতি জরুরি অক্সিজেন আসে বৃক্ষ থেকে। বৃক্ষ মানুষের জীবনের জন্য অগ্রণী ভূমিকা পালন করে।

মানব সভ্যতার চরম উৎকর্ষের যুগে বিশ্বজুড়ে পরিবেশগত বিপর্যয় একটি মারাত্মক সমস্যা। পরিবেশের অবক্ষয় ও দূষণের ফলে সমাজজীবন ও জীববৈচিত্র্য হুমকির মুখে পড়েছে। পৃথিবীর অনেক অঞ্চলের মতো বাংলাদেশেও পরিবেশ দূষণের বিরূপ প্রভাব দৃশ্যমান।

উপজেলার বারদী ইউনিয়নের মেঘনা নদী বেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চল মায়াদ্বীপ।  মেঘনা নদীর ঠিক মাঝ খানে  জেগে  ওঠা একটা ত্রিভুজ আকৃতির চর। 
বৃক্ষ রোপনের ফলে পরিবেশ যেমন রক্ষা পাবে তেমনি এই অবহেলিত দ্বীপের সৌন্দর্যকেও আরোও বাড়িয়ে দেবে শতগুণ।  

তিনি আরো বলেন, মায়া দ্বীপে রোপণ করা বৃক্ষের পরিচর্যায় দুজন লোক দুই বছরের জন্য নিয়োজিত থাকবে।

এসময় পরিবেশ রক্ষা উন্নয়ন সোসাইটি, ব্লাড ফর নারায়ণগঞ্জ ,আলোকিত বাড়ী মজলিস, নদী বাঁচাও আন্দোলন, স্বপ্নের কাঁচপুর স্বপ্নের সোনারগাঁও, পথ শিশু দরিদ্র ফাউন্ডেশন সহ ২৬ টি স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনের সদস্য ও উপজেলার বিভিন্ন সাংবাদিক ক্লাবের সদস্যরা বৃক্ষ রোপনে অংশগ্রহণ করেন।

পরিবেশবাদীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের এমন উদ্যোগকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, উপজেলার মেঘনা নদীবেষ্টিত দুর্গম চরাঞ্চল নুনেরটেক-মায়াদ্বীপ গরিবের ঘরের সুন্দরী বউ, সবার ভাবী। সবার নজর এখন এ দ্বীপের দিকে। তাই এই সৌন্দর্যময় দ্বীপটি বালু সন্ত্রাসীদের শিকারের কারণে অনেকটা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে।

সোনারগাঁও ও মেঘনা উপজেলার
লোকজন এ চরের কাছে ড্রেজার বসিয়ে অবৈধ ও অপরিকল্পিতভাবে বালু উত্তোলনের ফলে মেঘনা নদীর মাঝখানে জেগে ওঠা চর নুনেরটেকের মায়াদ্বীপ নামে পরিচিত গুচ্ছগ্রম-সবুজবাগ-রঘুনারচর সংলগ্ন এলাকায় ভাঙনের সৃষ্টি হয় অনেকাংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গিয়েছে।

ভবিষ্যতে যেনো কোনো বালু সন্ত্রাসী এ অঞ্চলে ড্রেজার বসিয়ে বালু উত্তোলন করতে না পারে সেজন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলামের বৃক্ষ রোপনের পরিকল্পনা। আর এ পরিকল্পনা তখনই বাস্তবায়ন হবে যদি বালু সন্ত্রাসীরা বালু কাটা বন্ধ করে। 
তখন পরিশ্রমও সার্থক হবে এবং অবহেলিত মায়াদ্বীপ ধরে রাখতে পারবে তার সৌন্দর্য। 

সদ্য সংবাদঃ করোনাভাইরাস পজিটিভ হওয়ার তথ্য গোপন রেখে নিয়মিত প্রাইভেট হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ ৩শ শয্যা হাসপাতালের গাইনি বিভাগের প্রধান ডা. জাহাঙ্গীর আলম। এমনকি তিনি কয়েকটি অপারেশনও করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এতে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছেন চিকিৎসা নিতে আসা রোগী এবং হাসপাতালের স্টাফরা। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার ওই ক্লিনিকে নতুন করে রোগী ভর্তির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা জারি করে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ।


গত ৬ জুন করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ৮-৯ দিন পর থেকেই তিনি তথ্য গোপন করে শহরের প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখেছেন। এছাড়া ২৩ জুন প্রথম ফলোআপ রিপোর্টেও কোভিড-১৯ পজিটিভ আসে তার। এ সময় বাড়িতে কিংবা হাসপাতালে আইসোলেশনে থাকার কথা থাকলেও তা না করে প্রাইভেট একটি হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখেছেন সরকারি হাসপাতালের এই চিকিৎসক।

গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) দুপুরেও তাকে শহরের প্রাইম জেনারেল হাসপাতালের ২০২ নম্বর কক্ষে রোগী দেখা অবস্থায় পাওয়া যায়। করোনা পজিটিভ হলেও নিয়মিত এ হাসপাতালে রোগী দেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, গত ৬ জুন নমুনা পরীক্ষার পর করোনাভাইরাস আক্রান্ত বলে শনাক্ত হন নারায়ণগঞ্জ ৩শ শয্যা হাসপাতালের সিনিয়র কনসালটেন্ট ডা. জাহাঙ্গীর আলম। গত ২৩ জুন প্রথম ফলোআপ রিপোর্টেও কোভিড-১৯ পজিটিভ আসে তার। নিয়ম অনুযায়ী বাড়িতে আইসোলেশনে থাকার কথা ছিল জাহাঙ্গীর আলমের।কিন্তু তাকে পাওয়া গেছে শহরের প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে রোগী দেখা অবস্থায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম জানান, গত ৬ জুন করোনা শনাক্ত হয় তার। এ কয়দিন বাড়িতেই ছিলেন তিনি। শারীরিক অবস্থা সুস্থ হওয়াতে হাসপাতালে এসেছিলেন। তবে রোগী দেখতে নয় তার স্ত্রীকে নিতে এসেছিলেন বলে দাবি তার। তার স্ত্রীও প্রাইম জেনারেল হাসপাতালের গাইনি চিকিৎসক বলে জানান তিনি। প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে ফলোআপ পরীক্ষায় করোনা পজিটিভ আসার বিষয়টি স্বীকার করে তিনি বলেন, ফলোআপ রিপোর্ট পজিটিভ আসার বিষয়টি আমি কিছুক্ষণ আগে জেনেছি। পজিটিভ এসেছে আবার নেগেটিভও আসবে। আরও একটা ফলোআপ পরীক্ষা তো আছে। আর আমি তো শারীরিকভাবে সুস্থই। আমি আজই কেবল আমার স্ত্রীকে নিতে এসেছিলাম। আমি এখন বাসায় চলে যাচ্ছি।

এদিকে প্রাইম জেনারেল হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ডা. আহসানুল কবির বলেন, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হাসপাতালে তিনি একটি ইনজেকশন নিতে এসেছিলেন। এ সময় একজন রোগী আসলে দূর থেকেই তার কাগজপত্র দেখেছেন। ফলোআপ পরীক্ষাও তার পজিটিভ এসেছে এ বিষয়টি তিনি জানতেন না বলে দাবি তার। গত কয়েকদিন যাবতই ডা. জাহাঙ্গীর আলম হাসপাতালে রোগী দেখার বিষয়টি অস্বীকার করেন হাসপাতালের এমডি।

অভিযোগ রয়েছে করোনা পজিটিভ আসার পর তথ্য গোপন করে শহরের আরও একটি স্বনামধন্য ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেছেন ডা. জাহাঙ্গীর আলম। দুই-তিনদিন পর ওই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত হলে তাকে হাসপাতালে আসতে নিষেধ করেন। তবে প্রাইম জেনারেল হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখছিলেন তিনি। তথ্য গোপন করে হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখার মধ্য দিয়ে রোগী এবং হাসপাতালের স্টাফদেরও ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন এ চিকিৎসক।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নারায়ণগঞ্জ ৩শ শয্যা হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. গৌতম রায় বলেন, এটা কখনই কাম্য নয়। আমি বিষয়টি জানতাম না। আমি জানি তিনি বাড়িতে আইসোলেশনে আছেন। এ বিষয়ে খোঁজ নিয়ে অবশ্যই তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনা হবে।

করোনা পজিটিভ হয়েও চেম্বারে রোগী দেখার বিষয়টি ‘গর্হিত, অনৈতিক এবং দণ্ডনীয় অপরাধ’ উল্লেখ করে জেলা সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ ইমতিয়াজ বলেন, এটা হয়ে থাকলে সত্যিকার অর্থে আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ করেছেন তিনি। তার বিরুদ্ধে রোগীরা মামলাও করতে পারেন। আর ঘটনা জানার পরপরই আমরা উক্ত বেসরকারি হাসপাতালে নতুন রোগী ভর্তির ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছি। পাশাপাশি ডা. জাহাঙ্গীর এর মধ্যে যে যে রোগী দেখেছেন বা সংস্পর্শে এসেছেন তাদের ব্যাপারেও খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। আর উক্ত বেসরকারি হাসপাতালটি লকডাউন করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, আইনগতভাবে তিনি এটা পারেন না। তাকে আইসোলেশনে থাকতেই হবে। এ বিষয়ে কেউ লিখিত দিলে আমি ব্যবস্থা নেব।

সদ্য সংবাদঃ র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন -১১, নারায়ণগঞ্জ এর নতুন অধিনায়ক খন্দকার সাইফুল আলম এর যোগদান। 


২৫ জুন বৃহস্পতিবার বেলা ১.১০ মিনিটে নতুন অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম পিবিজিএম, পিবিজিএমএস দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং সদ্য বিদায়ী অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল ইমরান উল্লাহ সরকার পিবিজিএম, পিবিজিএমএস সরকারি নিয়মিত বদলী আদেশ বলে শীঘ্রই র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-২ তে অধিনায়ক হিসেবে যোগদান করবেন।

লে. কর্নেল খন্দকার সাইফুল আলম পিবিজিএম, পিবিজিএমএস RAB এ যোগদানের পুর্বে বিজিবি তে কর্মরত ছিলেন। তিনি ইতিপূর্বে ৩ টি বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক, ১ টি সেনাবাহিনীর পদাতিক ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক,এস এস এফ,জাতিসংঘ মিশনে লাইবেরিয়া ও মধ্য আফ্রিকা প্রজাতন্ত্রে এবং সেনাবাহিনীর বিভিন্ন দায়িত্বে নিয়োজিত ছিলেন।

সদ্য সংবাদঃ উপজেলা প্রশাসন সোনারগাঁ ফেসবুক পেজে ,উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সাইদুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে আনীত অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে স্ট্যাটাস দিয়েছেন।        যা নিচে তুলে ধরা হলো।
আপনারা নিশ্চয়ই পত্রিকা মারফত অবগত হয়েছেন যে, আপনাদের ইউএনও একজন মহা দূর্নীতিবাজ!! এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বিরুদ্ধে দূর্নীতি দমন কমিশনসহ বিভিন্ন উর্দ্বতন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ প্রেরণ করা হয়েছে। অভিযোগটির আদ্য প্রান্ত ও প্রকৃত ঘটনা আপনাদের একজন সেবক হিসেবে আপনাদের জ্ঞাতার্থে সবিনয়ে তুলে ধরছি। যিনি অভিযোগ করেছেন তিনি একজন ঠিকাদার।
ঘটনার সংক্ষিপ্ত বিবরণঃ দুধঘাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চার কক্ষ বিশিষ্ট আধা পাকা একটি টিনশেড ভবন নিলামে বিক্রির জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়। সর্বোচ্চ দরদাতা ২৫,৫০০/- টাকায় নিলামটি পেয়েছেন। যিনি দূর্নীতির অভিযোগ করেছেন তিনি দর দিয়েছিলেন ২১,০০০/- টাকা। সর্বোচ্চ দরদাতাকে নিলামটি সরকারিভাবে প্রদান করে ২৫,০০০/- টাকা চালানের মাধ্যমে সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয় (ছবি সংযুক্ত)।  যিনি অভিযোগ করেছেন সেই ঠিকাদারের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস আপনাদের জন্য তুলে ধরছিঃ

০১। অভিযোগে নাম ব্যবহার করা হয়েছে মোঃ মোরশেদ কিন্তু মোবাইল নাম্বার ব্যবহার করা হয়েছে মোজাম্মেল হক এর (০১৮১২-১৫২৮৮১)।

০২। ২০১৮ সালে কাঁচপুর হাইওয়ে থেকে মোশারফ চেয়ারম্যানের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তার কাজ না করেই বিল দাখিল করেন পিরোজপুর ইউনিয়নের মঙ্গলেরগাঁও গ্রামের ঠিকাদার মোঃ মোজাম্মেল হক এবং তাকে বিল না দেয়ায় দুদকে মিথ্যা অভিযোগ করে সোনারগাঁয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে গ্রেফতার করান।

০৩। স্কুলে অতিব নিম্নমানের কাজ করায় এবং সঠিকভাবে কাজ বুঝে নিতে চাওয়ায় শাহচিল্লাহপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সভাপতির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে থানায় জিডি দায়ের করেন।

০৪। কাজ না করে বিল দাখিল করার কুখ্যাতি রয়েছে উক্ত ঠিকাদারের। এবার আপনারা বলুন কে আসল দূর্নীতিবাজ? ইউএনও?অভিযোগকারী ঠিকাদার? যে সাংবাদিক যাচাই না করে অর্থের বিনিময়ে মনগড়া সংবাদ প্রকাশ করেছেন? নাকি যে প্রভাবশালী ব্যক্তি এই অভিযোগটি করিয়েছেন? 

আপনাদের কাছে আমার ছোট্ট একটি প্রশ্ন সোনারগাঁয়ের ইউএনও যদি দূর্নীতি করতেই চায় তবে তাকে ৪,৫০০/- (চার হাজার পাঁচশত) টাকার দূর্নীতি করতে হবে? 
পুনশ্চঃ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা ও ঠিকাদারকে কালো তালিকাভুক্ত করার জন্য ইতোমধ্যে প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিশ্বাস রাখুন যারা সোনারগাাঁবাসীর অধিকারে এতটুকু হাত দেবে তারা কেউ ছাড় পাবেনা।
সুস্থ থাকুন, নিরাপদ থাকুন এই শুভকামনা সবসময়।

সদ্য সংবাদঃ করোনা ভাইরাস কভিড (১৯)  মহামারীতে নিজের জীবন বাজী রেখে অসহায় গরীব-দুঃখী মানুষের চিন্তায় প্রত্যন্ত গ্রামের পাড়া-মহল্লায়  সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত অবিরাম ছুটে চলেছেন তিনি। জনসাধারণকে সচেতন করতে নানামুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কখনও অবৈধ দখল উচ্ছেদে কর্দমাক্ত খালে নেমে পড়ছেন, আবার কখনও গভীর রাতে নিজ হাতে ত্রাণের খাদ্যসামগ্রী নিয়ে প্রত্যন্ত গ্রামের অসহায় মায়ের দ্বারে দ্বারে কড়া নাড়ছেন। মানবতার সেবায় নির্ঘুম রাত, আর অক্লান্ত সকাল-দুপুর ছুটে চলায় যার ব্রত। তিনি হলেন সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলা। উল্লেখযোগ্য যে, সোনারগাঁ উপজেলায় করোনা পরিস্থিতিতে বিশেষ অবদান রাখার জন্য নিবার্হী  কর্মকর্তা  জনাব মোঃ সাইদুল ইসলাম কে মোবারক হোসেন স্মৃতি সংসদের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।(২২জুন) সোমবার সকাল ১১ ঘটিকার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কার্যালয়ে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

একদল দুর্নীতিবাজ, স্বার্থান্বেষী, ভূমিদস্যু ও প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহল একাট্টা হয়ে তাকে বদলী করাতে নানান ধরণের অপপ্রচারে নেমেছে। যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে রীতিমতো ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে।

তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, নারায়ণগঞ্জ  জেলা প্রশাসক জসিম উদ্দিনের   নির্দেশনায় সরকারের অর্পিত সকল কার্যক্রম যথাযথভাবে পালন করে আসছেন ইউএনও মো.সাইদুল ইসলাম। যে কারণ সোনারগাঁও সর্বমহলের মন জয় করে নিয়েছেন। তার প্রচেষ্টায় আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সোনারগাঁও উপজেলা স্বচ্ছতার মানদণ্ডে একটি মডেল উপজেলা হিসাবে ইতিমধ্যে পরিচিতি লাভ করেছে। তার মেধা, সততা, কর্মদক্ষতা, মানবিকতা, যেখানে সমস্যা সেখানেই ছুটে গিয়ে সমাধান করাসহ বিভিন্ন মানবিক গুণাবলীর কারণে তিনি এ শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করেন।

সোনারগাঁও উপজেলার মাটি ও মানুষের সাথে মিশে যাওয়া ইউএনও সাইদুল ইসলাম ৩০ তম বিসিএস ক্যাডার, দিনাজপুর জেলার সদর উপজেলার  সন্তান। গত ১৮ মার্চ সোনারগাঁও  উপজেলায় যোগদানের পর থেকে অত্যন্ত নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছেন তিনি। করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকাতে দিন-রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন তিনি। অসহায় ও কর্মহীন মানুষের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দিচ্ছেন খাদ্য সহায়তা। ঘূর্ণিঝড় ‘আম্ফান’ পরবর্তী তার বর্তমান ভূমিকাও প্রশংসার দাবী রাখে। এছাড়া ‘ক্লিন সোনারগাঁও ,গ্রিন সোনারগাঁও  গড়ে তোলার লক্ষ  উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাইদুল ইসলাম নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। নাগরিকদের প্রতি দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখে ইতিমধ্যেই তিনি অত্র উপজেলার কয়েক লক্ষাধিক মানুষকে মুগ্ধ করেছেন।

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা ও নাগরিক অধিকার সুরক্ষাসহ দুর্নীতি মুক্ত দেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ছুটে চলা ইউএনও মো. সাইদুল ইসলাম  যোগদানের মাত্র তিন মাসের মধ্যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন সকল প্রকার দুর্নীতি-অনিয়ম রুখে দিয়ে। অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, নদী ভরাট, খালে-বিলে পানি নিষ্কাশনের প্রতিবন্ধকতায় নেট-পাটা অপসারণ, হাট-বাজার, রাস্তা-ঘাটের পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতাসহ অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহলের শত্রু হলেও একের পর এক ইতিবাচক ঘটনার জন্ম দিয়ে সাধারণ মানুষের আস্থার পাত্র হয়ে উঠেছেন তিনি।

একজন ইউএনও’র তদারকিতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, ইউনিয়ন পরিষদ, সরকারের চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের প্রায় সকল দপ্তরে কিছুটা হলেও স্বচ্ছতা ফিরেছে, সরকারের প্রতি আস্থা ফিরেছে সাধারণ মানুষের। কিন্তু ভূমিদস্যু-দুর্নীতিবাজ, স্বার্থান্বেষী মহলের গাত্রদাহে এই সৎ মানুষটির বিরুদ্ধে চলছে নানা ষড়যন্ত্র! তাকে বদলী করতে উঠে পড়ে লেগেছে একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক মহল।

একটি সূত্র জানায়, প্রতি বছর জুনমাস এলেই নড়েচড়ে বসে একটি দুর্নীতিবাজ ও প্রভাবশালী চক্র। প্রতিবছর জুন মাস এলেই তাদের খাওয়া ঘুম হারাম হয়ে যায়। আইওয়াশ টেন্ডারের মাধ্যমে কোন কাজ না করেই এডিপি’র লক্ষ লক্ষ টাকা ভাগবাটোয়ারা করে নেয় এই সিন্ডিকেট। বর্তমান ইউএনও এখানে থাকলে উক্ত টাকা কোনভাবেই ভাগাভাগি করতে পারবেনা বলে তারা ইউএনও’র বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার ও দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছে। তারই অংশ হিসেবে বিভিন্ন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে বলে জানা গেছে।

সোনারগাঁও  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম  যোগদানের পর থেকে তিনি অনিয়মের বেড়াজাল ভাঙতে শুরু করেন। তিনি। নারায়ণগঞ্জ  জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও হিসাবে স্বীকৃতি লাভ করেছেন। প্রবহমান  খালে অবৈধ নেট-পাটা অপসারণ, অবৈধ দখলদার উচ্ছেদ, ফুটপাত দখলমুক্ত করে সাধারণের চলাচলের পদক্ষেপ গ্রহণ করে নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন, কোথাও আবার কঠোর হস্তে আইনের শাসন প্রয়োগ করছেন। যে কারণে তিনি সাধারণ মানুষের মনের মাঝে স্থান পেয়েছেন তিনি।

এদিকে নারায়ণগঞ্জ  দুর্নীতি পরায়ণ কতিপয় জনপ্রতিনিধিসহ সিন্ডিকেট চক্র অনৈতিক সুযোগ-সুবিধা নিতে না পেরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধাচরণসহ নানাবিধ ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছেন। অযৌক্তিক অজুহাতে  পায়তারা করছে এমন অভিযোগ সচেতন মহলের।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান  আওয়ামী লীগ নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মোশারফ বলেন, যারা অবৈধ সুযোগ-সুবিধা নিতে পারছে না তারাই ইউএনও'র বিরুদ্ধে লেগেছ।  তিনি আরও বলেন,   নিঃসন্দেহে বর্তমান ইউএনও একজন ভালো মানুষ, তিনি সঠিক কাজগুলোই করছেন এবং দেশও জাতির  কল্যানে কাজ করে যাচ্ছেন।  

এ বিষয়ে পরিবর্তনের অঙ্গীকার নিয়ে ছুটে চলা সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সাইদুল ইসলাম   বলেন, ‘আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। যতদিন আছি, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাবো। আমি সরকারের একজন প্রতিনিধি হিসেবে উপজেলায় দায়িত্ব পালন করতে এসেছি মাত্র। এ সময় সকলের সহযোগিতা পেলে সোনারগাঁও উপজেলাকে   একটি মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কল্যাণে যা যা করার প্রয়োজন সেটি করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।





সদ্য সংবাদঃ নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁ উপজেলার সনমান্দি ইউনিয়নের মামুর্দি গ্রামের ইমরান ইফরান হাউস নামে এক প্রবাসীর বাড়ীতে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ আড়াই লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে দুর্ধষ ডাকাতদল।এ ঘটনার পর আতঙ্কিত এলাকাবাসী  পুলিশী টহলের জোর দাবি জানিয়েছেন।
 ইমরান ইফরান হাউসের মালিক কুয়েত ফেরত কামাল হোসেন জানান সোমবার(২৩ জুন) দিবাগত রাত ১টার সময় ১০/১২ জনের একটি ডাকাত দল ঘরের দরজা ভেঙ্গে প্রবেশ করে অস্ত্রের মুখে সবাইকে জিম্মি করে ডাকাতির ঘটনা ঘটায়।

গ্রামের  স্থানীয়  বাসিন্দা উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ নেতা আবুল হোসেন অপু জানান, প্রতিবছর বর্ষা মৌসুমে আমাদের এই প্রত্যন্ত অঞ্চল মামুর্দী, হরিহরদী, টেমদী, নেদামদি পার্শ্ববর্তী নোয়াগাঁও ইউনিয়নের বিজয়নগর, চৌরাপাড়া, লাদুরচর ,চরপাড়া বারদী ইউনিয়নের আলমদি জামপুর ইউনিয়ন এর চর তালিমাবাদ, মুছার চর সহ বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের ঘটনা সংঘটিত হয়ে থাকে। তবে বর্ষা শুরু হওয়ার আগেই মামুর্দী গ্রামে আজ এ ঘটনা সংঘটিত হয়ে গেল। এসব এলাকায় পুলিশী টহল জোরদার করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

  

সদ্য সংবাদঃ ঐতিহাসিক ২৩ জুন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭১তম জন্মবার্ষিকী। এ জন্মবার্ষিকীতে আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের সকল নেতা-কর্মীদের ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সাবেক কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ ও বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা তারুন্যের আইডল এ এইচ এম মাসুদ দুলাল।

এক শুভেচ্ছা বানীতে তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা অর্জনে নেতৃত্বদানকারী দল বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের আজ ৭১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। ১৯৪৯ সালের ২৩ জুন পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রোজ গার্ডেনে এই রাজনৈতিক দলটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ দেশে পাকিস্তানি সামরিক শাসন, জুলুম, অত্যাচার-নির্যাতন ও শোষণের বিরুদ্ধে সকল আন্দোলন-সংগ্রামে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে এ দলটি।

৪৯ থেকে সুদীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ বাঙালি জাতির ভাষা আন্দোলন, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধসহ সকল গণতান্ত্রিক এবং সাধারণ মানুষের ভাত ও ভোটের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে নেতৃত্বদানের সুমহান গৌরব অর্জন করেছে।

দলটি প্রতিষ্ঠার পর এ দেশে যা কিছু বিশাল অর্জন তা আওয়ামী লীগের নেতৃত্বেই হয়েছে। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে স্মরণ করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে চলমান উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে হবে। তাহলে প্রকৃত অর্থে বঙ্গবন্ধু’র স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠা হবে।

তিনি বলেন ,শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, ৪৯'এ জনকের আর্দশে শুরু পথচলা,ক্লান্তিহীন চলছে ,চলবে অনন্তকাল।

জয় বাংলা,

জয় বঙ্গবন্ধু। 

 
সদ্য সংবাদঃ সোমবার (২২ জুন)সকাল ১১ ঘটিকার সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে এ সম্মাননা প্রদান করা হয়।

উল্লেখ্য যে সোনারগাঁও   উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ শাহিদুল ইসলাম করোনা মোকাবিলায়  সমাজের সকল ভ্রান্ত ধারনাকে পাল্টে দিয়েছেন। করোনাভাইরাসের কারনে কর্মহীন হয়ে পড়েছে উপজেলার বিভিন্ন পেশার মানুষ। এই পরিবারগুলোর কথা চিন্তা করে সরকারের খাদ্য সহায়তাগুলো জেলা প্রশাসকের নির্দেশনা অনুযায়ী কর্মহীন ও অসহায়দের ঘরে ঘরে পৌঁছে দিচ্ছেন তিনি। একজন উপজেলার অভিভাবকের মতোই অসহায় গরিব ও মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর পাশে দাড়িয়েছেন এই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। ১' মার্চ  সোনারগাঁও   উপজেলায় যোগদান করেন তিনি। 

 যোগদানের পর থেকেই সাধারণ মানুষের নয়নের মণি হয়ে উঠেছেন। অসহায় মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর মধ্যেই   নজর রেখেছেন শুধু তাই নয়, করোনার মহামারি পরিস্থিতিতে কর্মরত ডাক্তার, নার্স বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা নিয়ে চালিয়ে যাচ্ছেন উপজেলার উন্নয়ন মূলক কার্যক্রম। চিকিৎসা কাজে নিয়োজিত ডাক্তারদের করোনা সংক্রমণেের হাত থেকে রক্ষার জন্য সরকারি পিপিই সরবরাহ করেন,যেন জনসাধারণকে ভাল চিকিৎসা সেবা দিতে পারেন।সদ্য যোগদান করা তারুণ্যদীপ্ত উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা  সাইদুল ইসলাম সফলভাবেই তার দায়িত্ব পালন করে  যাচ্ছেন। করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে, লক ডাউন বাস্তবায়ন, করোনা আক্রান্তদের হোম কোয়ারেন্টিন ও তাদের খাদ্য ব্যবস্থা নিশ্চিত করা, ভোক্তা অধিকার নিশ্চিত ও সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ভ্রাম্যমান অাদালত পরিচালনায় তার কর্মের মধ্যে দক্ষতার ছাপ রেখেছেন। সবাইকে করোনামুক্ত রাখতে এবং সরকারি প্রনোদনা ও প্রধানমন্ত্রীর খাদ্য উপহার পৌছে দিতে অভিরাম ছুটছেন সোনারগাঁয়ের এ প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে,ছুটে চলছেন গ্রাম থেকে গ্রামান্তরে। ‘জনসেবার জন্য প্রশাসন’ এ শ্লোগানকে সামনে রেখে ‘উন্নত বাংলাদেশ’ গড়তে অবিরাম গতিতে তার উদ্যম উৎসাহে এগিয়ে চলছে সোনারগাঁ উপজেলা প্রশাসন।


দায়িত্ব নেয়ার পরপরই তিনি সরকারি সেবাগুলোকে সর্বাত্মক স্বচ্ছতার সাথে সাধারণ জনগণের দৌরগোড়ায় পৌঁছে দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেন।
বাল্য বিবাহ, নারী নির্যাতন, ইভটিজিং বন্ধসহ ভুমি খেকোদের কবল থেকে নদী-কৃষি জমির মাটি রক্ষায় নিয়মিত মোবাইল কোট পরিচালনা করেন। বাজার মনিটরিং এর মাধ্যমে দ্রব্যমূল্য উর্ধ্বগতি রোধ, খাদ্যের গুণগত মান উন্নয়নসহ নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন।

জাতিসংঘ ঘোষিত এমডিজি অর্জনের লক্ষ্যে সরকার কর্তৃক প্রদত্ত মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতা, মাতৃত্বকালীন ভাতা, ভিজিডি ও হত দরিদ্রদের জন্য বরাদ্দকৃত দশ টাকা কেজি চাল উপযুক্ত ব্যক্তির কাছে পৌছে দিতে তিনি তীক্ষ্ণ  নজরদারি করেছেন। কৃষি উৎপাদনে লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে প্রান্তিক কৃষকদের মাঝে সরকারিভাবে সার ও বীজ পৌছানোর ব্যবস্থা করেছেন কৃষিবান্ধব ইউএনও। ইউএনও সাইদুল ইসলাম বলেন, জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর দেয়া খাদ্য সামগ্রী বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের মাঝে বন্টন করাই আমার কাজ। এভাবেই প্রতিদিন নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশ ও জাতির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম। 

তার এই কর্মের স্বীকৃতিস্বরূপ মোবারক হোসেন স্মৃতি সংসদ এর পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা ও সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সোনারগাঁ উপজেলা চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা মোশারফ হোসেন, মোগরাপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান আরিফ হোসেন বাবু, সাবেক সংসদ মরহুম মোবারক হোসেন'র পুত্র এরফান হোসেন দ্বীপ, রফিকুল হায়দার বাবু ও আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা-কর্মীগন। 


   
      সদ্য সংবাদঃ জামালপুর জেলার মাদারগঞ্জে নতুন করে আক্রান্ত ২ জন। এদের মধ্যে বালিজুড়ী সেলিম উদ্দিন এর নমুনা গত বৃহস্পতিবারে নেওয়া হয় এবং শনিবারে নিজবাড়ীতে মারা যান তিনি।  করোনা পজেটিভ রির্পোট আসে রোববার।  তাকে স্বাস্থ্য বিধি মেনেই দাফন সম্পূর্ণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে।  এদিকে উপজেলার জাঙ্গালিয়া এলাকার আব্দস সালাম এর ছেলে রহুল আমিন (৩১)  এর রির্পোট পজেটিভ আসে।  আজ সোমবার তার বাড়ী লকডাউন করলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার আমিনুল ইসলাম। এ সময় মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার  ডাঃ শামিম ইফতেখার ও এমটিইপিআই মাহবুবুল আলম, ইউএনও অফিসের নাজির কবির হোসেন ও টেকনেশিয়ান সাইফুর রহমানসহ পুলিশ সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে সেলিম উদ্দিন (৫৫)নামে ১ জন করোনায় মৃত্যুবরণ করে।  এ ব্যাপারে মাদারগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সাইফুল ইসলাম জয় জানান সেলিম নামে একজনের নমুনা সংগ্রহ করেছিলাম গত বৃহস্পতিবারে, তিনি শনিবারে মারা যায় এবং রোববার তার করোনা পজেটিভ  এর রির্পোট আসে।   এ পর্যন্ত মোট আক্রান্ত ৩১ জন।  সুস্থ্য হয়েছেন ১৪ জন। হোম আইসোলেশনে রয়েছে ১৬ জন।এর মধ্যে   জামালপুর শেখ হাসিনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসোলেশন রয়েছেন ১ জন।  করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছে ১ জন।

June 22, 2020

 
সদ্য সংবাদঃসোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যেরবাজারে  অন্তর্গত মারিখালী নদীতে অবৈধ ভাবে বালু ভর্তি বস্তা ফেলে নদী দখল করছেন আল মোস্তফা গ্রুপ।

আজ সোমবার (২২ জুন ) দখলদারদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়। এ সময় অবৈধ ভাবে নদী ভরাট করার অভিযোগে আল মোস্তফা গ্রুপ কে ১লক্ষ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের পরিচালনা করেন সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইদুল ইসলাম। 
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায়  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে সহযোগিতা করেন সোনারগাঁ থানা পুলিশ।

বাংলাদেশ পরিবেশ সংরক্ষণ আইন,১৯৯৫ এর ৬(ঙ) ধারা অনুযায়ী এ রায় দেয়া হয়েছে।

June 18, 2020
সদ্য সংবাদঃ বাংলার প্রাচীনতম রাজধানী ঐতিহাসিক সোনারগাঁওয়ের ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের মোগরাপাড়া বাসষ্ট্যান্ডের পশ্চিম পাশে অবস্থিত সর্বস্তরের রুচিশীল, ভোজন রসিক প্রিয় মানুষের পছন্দের  স্বনামধন্য নান্দনিক রেস্টুরেন্টে কলাপাতা চাইনিজ আগামী ১ জুলাই স্বাস্থ্য বিধি মেনে পূর্বের‌ ন্যায় শুভ সূচনা হতে যাচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে রেস্টুরেন্টে কলাপাতা চাইনিজ এর পরিচালক মোতাহার মাসুম সিকদার বলেন, সকলের দোয়া আর ভালোবাসা নিয়ে ১০ বছর আগে আমাদের "রেস্টুরেন্ট কলাপাতা চাইনিজ ‘’ এর যাত্রা শুরু। মহান রাব্বুল আলামীনের অশেষ কৃপায় আমরা স্বাস্থ্য সম্মত খাবার পরিবেশন ও সরবরাহের মাধ্যমে সুনামের সাথে গ্রাহকদের সেবা নিশ্চিত করে আসছি।

বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের জন্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি থাকায় লকডাউনের ফলে সরকারের নির্দেশনা মোতাবেক আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানটি সাময়িক ভাবে বন্ধ রাখি।

সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশে লকডাউন সীমিত আকারে করায় সকল স্বাস্থ্য বিধি মেনে ও গ্রাহকদের সেবাদানে আগামী ১ জুলাই রেস্টুরেন্ট কলাপাতা চাইনিজ এর শুভ সূচনা করার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এটি শুধুমাত্র একটি রেস্টুরেন্ট না, আমাদের নিজেদের ঘর। রেস্টুরেন্ট কলাপাতা চাইনিজ এর  ভক্ত -অনুরাগীসহ সকলকে ১ জুলাই থেকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। আপনারা সপরিবারে রেস্টুরেন্টে আসবেন, স্বাস্থ্য বিধি মেনে দেখবেন, বসবেন, খাবেন, এটাই আমাদের সার্থকতা।

June 16, 2020




নারায়ণগঞ্জ সোনারগাঁও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে অবস্থিত চৈতি কম্পোজিট লিমিঃ  ফ্যাক্টরির বিরুদ্ধে ডাইং এর দূষিত পানি নিষ্কাশনের জন্য অবৈধভাবে ও  জোরপূর্বক জমি দখল করে পাইপ  বসানোর অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সরেজমিনে ঘটনাস্থলে গিয়ে জানা যায় চৈতি গ্রুপের কাছে জিম্মি হয়ে পড়েছে সাধারণ অসহায় এলাকাবাসী,
 চৈতি কম্পোজিট লিমিটেড এর পিছনে টিপুরদী খাল যেখান সরাসরি যোগ হয়েছে মেনি খালি নদীতে সেই খাল দিয়ে, দীর্ঘদিন যাবৎ চৈতির ডায়িংয়ের দূষিত পানি ফেলে মারাত্মক পরিবেশ দূষণ করছেন, যার ফলে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কয়েকবার প্রতিবাদ করা হয়েছে এবং বিগত সময়ে, সোনারগাঁয়ের ৩ আসনের এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা নিজে উপস্থিত থেকে পানি সমপ্রসারণের পাইপ বন্ধ করে দিয়েছিল।
 তবে চৈতি গ্রুপ প্রভাব খাটিয়ে সেই পাইপ আবার সচল করে । 
চৈতি গ্রুপ, ইদানিং সোনারগাঁও উপজেলার পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মোশারফ এর মাধ্যমে আজ মঙ্গলবার অবৈধভাবে হাজী সাকিল রানার ও তার বোনের জায়গা দখল করে ডাইং এর পানি নিষ্কাশনের জন্য পাইপ বসানোর কাজ শুরু করে এসময় জায়গার মালিক,প্রবাসী  হাজী সাকিলের পরিবার পাইপ বসানোর কাজে বাধা দিলে তাদেরকে কোম্পানির পালিত ভাড়া করা সন্ত্রাসী মোশারফ হোসেন  বিভিন্ন ভয়-ভীতি দেখায় ।
এ সময় ভুক্তভোগীদের কে উত্তেজিত হয়ে অকাট্য ভাষায় নানান ধরনের কথাবার্তা বলেন এই সময় চৈতি কম্পোজিট এর ডি জিএম বদরুল আলম জনগণকে আশ্বস্ত করেন যে তাদের সাথে বসে মীমাংসা করার পর পাইপ বসানোর কাজ করবে।  তার কথায় আশ্বস্ত হয়ে জনগণ যে যার মত চলে যাওয়ার পর পুনরায় আবার কাজ চালু করে পরবর্তীতে তার সাথে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন পুনরায় কাজ শুরু করার বিষয়ে আমি জানিনা। এরপর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।

June 15, 2020


সদ্য সংবাদঃ 
সোনারগাঁওয়ে বেড়েই চলছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা (আজ ১৫ ই জুন)
১৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষা করে  নতুন আরো ২ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে । 
এদের  মধ্যে ১ জন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ১ জন মহিলা রয়েছে । এ নিয়ে সোনারগাঁওয়ে ৩৪৪জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।
এবং আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের।

সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. পলাশ কুমার সাহা সোমবার দুপুরে  এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. পলাশ কুমার সাহা জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ১৭ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে ২ জনের করোনা আক্রান্ত পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্ক  পুরুষ ও মহিলা রয়েছে। করোনায় সোনারগাঁওয়ে এ পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ১৭০ জন।

আক্রান্ত দুজন হলো জামপুর ইউনিয়নের মহজমপুর গ্রামে ১জন পুরুষ,  মোগরাপাড়া ইউনিয়নের নগর সাদিপুর গ্রামে ১জন মহিলার দেহে করোনা শনাক্ত হয়।

June 14, 2020




রফিকুল ইসলাম সুমন। ছিলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা। বাড়ি মাদারীপুর শহরের পানিছত্র এলাকায়। গত ৯ জুন রাতে মাদারীপুর শহরের ডনোভান স্কুল সংলগ্ন শ্বশুড় বাড়িতে মৃত্যুবরণ করেন। তার মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে পানিছত্র এলাকার কিছু যুবক ছুটে যান তার শ্বশুড় বাড়িতে। সুমনের মৃতদেহ বাসার এক কক্ষ থেকে অন্য কক্ষে সরান। পরবর্তীতে তারা জানতে পারেন করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন সুমন। করোনা ভাইরাস পরীক্ষার জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নমুনা প্রদান করেছেন ৭ জুন তারিখে।

আজ (১৪ জুন) নমুনা প্রদানের ৮ দিন আর মৃত্যুর ৬ দিন অতিবাহিত হচ্ছে। কিন্তু এখনও সুমনের নমুনা পরীক্ষার রিপোর্ট আসেনি মাদারীপুরে। আর এতো দিনে নমুনা না আসায় দুশ্চিন্তা আর মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় রয়েছে সুমনের মৃতদেহ স্পর্শ করা যুবকরা। রয়েছেন হোমকোয়ারেন্টাইনে।

এটা মাদারীপুর জেলার করোনা ভাইরাস নমুনা পরীক্ষার ফলাফল আসার অবস্থায়। একটি রিপোর্ট আসতে সময় লাগছে প্রায় ৭ দিন। অথচ নমুনা প্রদানের পর রিপোর্ট আসার আগেই মৃত্যুবরণ করেছেন এরকম ৫ জন। এছাড়া উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করা এমন কয়েকজনের ব্যক্তির রিপোর্ট এখনও আসেনি।

বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তদের মধ্যে ছিল মাদারীপুর জেলার একজন। এছাড়া বাংলাদেশের প্রথম লকডাউন ঘোষণা করা উপজেলাটিও মাদারীপুরে। সাথে সাথে সর্বশেষ স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত রেড জোন এলাকা হচ্ছে মাদারীপুর। চলতি মাসে মাদারীপুরে নতুন করে করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছেন ২৩০ জন। পাশাপাশি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন ৩ জন ও উপসর্গ নিয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন আরও ৩ জন। এর মধ্যে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন মাদারীপুর সদর হাসপাতালের এক সহকারী নার্স।

এতো কিছুর পরও সবচেয়ে দুঃখের বিষয় দেশের ৫৯টি পিসিআর ল্যাবের মধ্যে নেই করোনা ভাইরাস নমুনা পরীক্ষার জন্য মাদারীপুর জেলায় কোন পিসিআর ল্যাব। করোনা ভাইরাসের নমুনা প্রদানের পর রিপোর্ট আসার এই দীর্ঘ সময়ের কারণে সংক্রমন বিস্তার ঘটছে মাদারীপুর জেলায়। অনেকে নমুনা প্রদানের পর রিপোর্ট পাওয়ার পূর্বেই তার দ্বারা সংক্রমিত হচ্ছে অনেক ব্যক্তি।

মাদারীপুর জেলায় করোনা ভাইরাসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পিসিআর ল্যাব এখন সময়ের দাবি। জোরদার হচ্ছে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের দাবি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমেও তোলা হচ্ছে দাবিটি। রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন ও বিভিন্ন পেশাজীবী মানুষ, সাংবাদিকসহ সর্বমহলের দাবি মাদারীপুরে পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা। পাশাপাশি দাবি তোলা হচ্ছে মাদারীপুরে আইসিইউ স্থাপনে।

স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্য মতে, আজ রবিবার (১৪ জুন) জেলায় ৫০টি নমুনার ফলাফল আসে যা গত ০৬ জুন তারিখে সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়া এখনও ৪৯২টি নমুনার ফলাফল এখনও আসা বাকি রয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতে করোনা ভাইরাস সংক্রমন রোধের জন্য নমুনা পরীক্ষার সাথে সাথে রিপোর্ট পাওয়া দরকার মনে করছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। যার ফলে মাদারীপুরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের কোন বিকল্প নেই। তাই যথাযথ কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছে মাদারীপুরবাসী।

মাদারীপুর উন্নয়ন সংগ্রাম পরিষদের সভাপতি মাসুদ পারভেজ বলেন, মাদারীপুরে করোনা ভাইরাস বিস্তার ব্যাপক হারে ছড়িয়েছে। মাদারীপুর জেলাতে করোনা শনাক্তের জন্য পিসিআর ল্যাব না থাকায় নমুনা সংগ্রহ করে ঢাকা পাঠাতে হয়। এই রিপোর্ট আসতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লেগে যায়। এতে আক্রান্ত ব্যক্তির যেমন ঝুঁকি বাড়ছে, তেমন ঝুঁকিতে পড়ছেন আশেপাশের মানুষ। তাই অনতিবিলম্বে মাদারীপুরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের দাবি করছি।

মাদারীপুরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের বিষয়ে সিভিল সার্জন ডা. শফিকুল ইসলাম জানান, গতকাল ভিডিও কনফারেন্সে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ডিজি মহোদয়ের নিকট মাদারীপুরে পিসিআর ল্যাব স্থাপনের বিষয়ে কথা বলেছি। জেলায় পর্যায় এখনও কোন পিসিআর ল্যাব স্থাপন করা হয় নাই। তবে জাতীয় করোনা প্রতিরোধ কমিটি সারাদেশে করোনা বিস্তার বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলা পর্যায় ল্যাব স্থাপনের সুপারিশ করেছেন। এটা কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের বিষয়।

সরকারি অনতিবিলম্বে বাংলাদেশের প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত ও প্রথম (উপজেলা) লকডাউনকৃত মাদারীপুর জেলায় পিসিআর ল্যাব স্থাপনের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস সংক্রমন বিস্তার রোধে ভূমিকা রাখবে এমনটাই প্রত্যাশা মাদারীপুরবাসীর। পাশাপাশি মাদারীপুরে আইসিইউ স্থাপনের দাবিও মাদারীপুরের সর্বস্তরের মানুষের।

June 14, 2020
জননেতা  লিয়াকত হোসেন খোকার ঘোষনা অনুযায়ী সোনারগাঁওয়ের করোনা রোগী ও লকডাউন পরিবারের মাঝে উপহার সামগ্রী বিতরন অব্যাহত। 

 আজ  ৩০০ শতাধিক  পরিবারের মাঝে খাবার পৌছে দিয়েছে এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা  এর স্বেচ্ছাসেবক টিমের সদস্যরা। সোনারগাঁওয়ে  মোট করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে ৩২০ জন,মৃত্যু  বরন করেছে ১৪ জন। এপর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত  ও লকডাউন প্রায় ১৮০০পরিবারের মাঝে উপহার  সামগ্রী, প্রয়োজনীয় ঔষধ,এম্বুল্যান্স সেবা,  নিয়মিত খোজ খবর স্বেচ্ছাসেবক টিমের মাধ্যমে  নিয়ে থাকেন এমপি লিয়াকত হোসেন খোকা। এ ব্যাপারে সার্বক্ষনিক সহযোগিতায় নিয়োজিত রয়েছেন জাতীয় স্বেচ্ছাসেবক পার্টির নারায়ণগঞ্জ জেলার সদস্য সচিব আলহাজ্ব জাবেদ রায়হান জয়, জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আবু নাঈম ইকবাল, জাতীয় পার্টির নেতা আনিসুর রহমান বাবু ও ফজলুল হক মাষ্টার 
 স্বেচ্ছাসেবক টিমে রয়েছেন মোঃ টিম লিডার সানাউল্লাহ বেপারী, মোঃ আলী আকবর,মোঃওমর ফারুক, মোঃগোলজার হোসেন, মোঃআবু কালাম, মোঃ মুহিবুল্লা মিয়া, মোঃ ফয়সাল হোসেন, গাজী মোঃমাইনুদ্দিন , মোঃ সুমন মীর,শেখ মোঃ রাকিব হোসেন,মোঃ মফিজুল ইসলাম, মোঃ পলাশ শিকদার,মোঃনাজমুল হোসেন প্রধান,মোঃ নাদিম আহমেদ,মো সাকিব হাসান জয় ,মোঃহানিফ সরকার,মো রাব্বি মিয়া মোঃ আলমগীর হোসাইন অপু,মোঃশাকিল মিয়া, মোঃ আবুবক্কর মিন্টু।প্রতিটি ওয়ার্ডে মাননীয় সংসদ সদস্য জননেতা লিয়াকত হোসেন খোকা এর স্বেচ্ছাসেবক টিম করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত পরিবার ও লকডাউন পরিবারের সেবায় নিয়োজিত রয়েছে।

June 14, 2020
নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে  অসচেতনতার কারনে বেড়েই চলছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা (আজ ১৪ ই জুন) ৩৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষা করে  নতুন আরো ৭ জনের দেহে করোনা সংক্রমণ পাওয়া গেছে । 
এদের  মধ্যে ৪ জন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ ও ৩ জন মহিলা রয়েছে । এ নিয়ে সোনারগাঁওয়ে ৩৪১জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছে।  সোনারগাঁওয়ে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।

সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. পলাশ কুমার সাহা রোববার রাতে তিনি এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. পলাশ কুমার সাহা জানান, গত ২৪ ঘন্টায় ৩৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষা করে ৭ জনের করোনা আক্রান্ত পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে প্রাপ্ত বয়স্ক  পুরুষ ও মহিলা রয়েছে। করোনায় সোনারগাঁওয়ে এ পর্যন্ত ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ১৭০ জন।

June 10, 2020

সোনারগাঁও উপজেলা পরিষদের নিরাপত্তার জন্য লাগানো ১৭টি সিসি ক্যামেরা নষ্ট করে দিয়েছে দুর্বৃত্তরা। বুধবার দিবাগত রাতে ক্যামেরাগুলো নষ্ট করে দেওয়া হয়। ফলে সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের বাসভবনসহ উপজেলার সকল অফিস নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছে। সিসি ক্যামেরা নষ্ট করার পর ইউএনও কার্যালয়ের একটি মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে গেছে। বিষয়টি বৃহস্পতিবার সকালে নিশ্চিত করেছেন সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইদুল ইসলাম। এ বিষয়টিকে তিনি বড় একটি ষড়যন্ত্রের অংশ বলে উল্লেখ করেছেন । কারন তিনি বলেন  খুব ভালোভাবে যাচাই করে দেখেছি তারগুলি বৈরী আবহাওয়ায় বিদ্যুৎস্পর্শ হয়ে নষ্ট হয়নি বরং উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে তারগুলি কেটে দেয়া হয়েছে ও ক্যামেরা ভেংগে ফেলার আলামত পাওয়া গেছে। তাছাড়া একমাস পূর্বেও আরো একবার তারগুলি কেটে দেয়া হয়েছিলো। এতে তিনি আইনের আশ্রয় নেবেন বলে জানিয়েছেন।

জানা যায়, সোনারগাঁও উপজেলার নিরাপত্তার জন্য সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সরকারি বাসভবনসহ ১৭টি স্পটকে সিসি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়। ক্যামেরা  নষ্ট করে দেওয়ায় পরিষদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা বিঘ্নিত হচ্ছে।

সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো.  সাইদুল ইসলাম বলেন, ষড়যন্ত্র করার উদ্যেশে দুর্বৃত্তরা সিসি ক্যামেরাগুলো নষ্ট করেছে। তাছাড়া একটি মোটরসাইকেল চুরি করে নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে বলা হয়েছে।

June 09, 2020



সদ্য সংবাদ  ডেস্ক :-
নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলায় সারা দেশের মতো চলতি মৌসুমের আগাম ইরি-বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। ধানের বাম্পার ফলন হলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে ধান কাটা শ্রমিক সংকট দেখা দিয়েছে।


এ অবস্থায় কৃষকের লোকসান কমানোর জন্য গরীব কৃষকের পাশে এসে দাঁড়িয়েছে সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.সাইদুল ইসলামের উদ্যোগে মঙ্গলবার সকালে সনমান্দী ইউনিয়নের কৃষকের ধান কেটে দেন সনমান্দী ইউনিয়নের ছাত্রলীগ ও বঙ্গবন্ধু তথ্য প্রযুক্তি লীগ এর নেতাকর্মীরা। কৃষকদের ধান কেটে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিয়েছেন।



এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় বঙ্গবন্ধু তথ্য প্রযুক্তি লীগের উপ-প্রচার সম্পাদক আবু কাউসার আহমেদ, সনমান্দী ইউনিয়ন ছাত্রলীগ নেতা ফারহান আহমেদ পলাশ,সোনারগাঁ উপজেলা বঙ্গবন্ধু তথ্য প্রযুক্তি লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মোমেন হাসান বাদশা, অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আমজাদ প্রদান,প্রচার সম্পাদক মাসুম মোল্লা, মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী শ্যামলী চৌধুরী, উপজেলা সহকারী কৃষি অফিসার আবু নাসের প্রমুখ।

ভুক্তভূগী কৃষক বলেন, ‘ধান কাটার শ্রমিক না পেয়ে বিপাকে পড়েছিলাম। ঠিক তখনি সোনারগাঁ উপজেলার নির্বাহী অফিসার সাইদুল ইসলাম স্যারের উদ্যোগে সোনারগাঁ উপজেলা সনমান্দী ইউনিয়নে ছাত্রলীগ ও বঙ্গবন্ধু তথ্য প্রযুক্তি লীগ এর  নেতাকর্মীরা ধান কেটে দেয়ার অনুভু‌তি প্রকাশ করার মতন না । এমন সম‌য়ে এ‌গি‌য়ে আসায় জন‌নেত্রীর প্র‌তি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর‌ছি।



সোনারগাঁ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ সাইদুল ইসলাম বলেন, শ্রমিকের অভাবে যারা পাকা ধান কাটতে পারছে না তাদের আমরা কেটে দিচ্ছি এবং ধান মাথায় ক‌রে বা‌ড়ি দি‌য়ে আসছি । আমা‌দের কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাক‌বে। আগামী‌তেও অসহায় কৃষক‌দের ধান আমরা কে‌টে দিবো ইনাশাআল্লাহ । আপনার আ‌শে পা‌শের অসহায় কৃষ‌কের সন্ধান আমা‌দের দিন তাদের জন্য কিছু কর‌তে পার‌লে আত্মতৃপ্তি পাবো।

June 09, 2020


সদ্য সংবাদ ডেস্ক : নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁয়ে নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল নুনেরটেকে যেন বাল্য বিয়ে ঠেকানোই যাচ্ছেনা।
 সবশেষ মঙ্গলবার গভীর রাতে বাল্য বিয়ের শিকার হলেন নুনেরটেক স্কুলের অষ্টম শ্রেনীর এক ছাত্রী।

বিয়ের খবর জানাজানি হলে, দিনের বেলা উপজেলা প্রশাসন মেয়ের বাবা ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে বিয়ে বন্ধ করে দেয়। মেয়ের বাবা ও নুনেরটেক স্কুলের শিক্ষানুরাগী সদস্য জাকারিয়া সোমবার মেহমানদের খাওয়া দাওয়া শেষ করে বিদায় করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় প্রশাসনকে। কিন্তু ওইদিন রাতেই বাড়িতে রেজিস্ট্রি ছাড়াই বিয়ে সম্পন্ন করে সিঙ্গাপুর প্রবাসী পাত্রের হাতে তুলে দেন নিজের মেয়েকে। তবে মেয়ের বাবা জাকারিয়ার দাবি, তার মেয়ে স্কুলে অষ্টম শ্রেনীতে পড়লেও তার বয়স ১৭ পার হয়েছে। তাছাড়া সামাজিক ও ব্যক্তিগত মান সম্মানের কথা ভেবেই তিনি মেয়েকে বিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন।

ঘটনায় প্রত্যক্ষভাবে সহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য লোকমান হোসেন, স্কুল কমিটির সভাপতি অাবুল হাসেম এর বিরুদ্ধে। যদিও তারা ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন। তাদের উভয়ের বক্তব্য প্রশাসনের সাথে সহযোগিতা করে দিনের বেলা বিয়ে বন্ধ করা হয়েছে। তবে রাতের অাধারে যদি কোন ব্যত্যয় হয়ে থাকে সেটা তাদের জানা নেই।

এব্যাপারে উপজেলা মহিলা ও শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা নাজমা আক্তার বলেন, গতকাল বিয়ে বন্ধ করে মেয়ের বাবা ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কঠোর ভাবে হুশিয়ার করে দেয়া হয়েছে। এরপরেও যদি বিয়ে দিয়ে থাকে তাহলে অাইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উল্লেখ্য, উপজেলা  বারদি ইউনিয়নের নুনেরটেক এলাকায় স্থানীয় প্রভাবশালী জাকারিয়া তার অষ্টম শ্রেনী পড়ুয়া মেয়েকে বিয়ে দিচ্ছেন এমন খবর পেয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইদুল ইসলাম তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেন। তবে, নুনেরটেক নদী বেষ্টিত ও যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় কেউ সরাসরি যেতে পারেননি।

প্রসঙ্গত, গতবছর একই কায়দায় রাতের অাধারে জাকারিয়া তার বড় মেয়ে ও বাতিজীর বাল্য বিয়ে দেন প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে। অভিযোগ রয়েছে জাকারিয়া, স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য লোকমান হোসেন ও স্কুল কমিটির সভাপতি অাবুল হাসেমের সহযোগিতায়ই
সোনারগাঁয়ের নদীবেষ্টিত চরাঞ্চল নুনেরটেকের বাল্য বিয়ে ঠেকানো যাচ্ছেনা।

June 09, 2020


 সোনারগাঁও প্রতিনিধিঃ
গত ৭ জুন নারায়নগঞ্জের সোনারগাঁও পৌরসভার জয়রামপুর  গ্রামে মোবাইল ফোন চার্জে লাগিয়ে ব্যবহারের সময় বিদ্যুস্পর্শে ঘরে আগুন লেগে দগ্ধ হওয়া কলেজ ছাত্র অপূর্ব দাস মারা গেছে। মঙ্গলবার সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ণ ইউনিটে চিকিৎসাধীণ অবস্থামারা যায়।

গত রোববার সকালে মোবাইল চার্জে লাগিয়ে ব্যবহারের সময় বিদুৎস্পর্শে  মারাত্মকভাবে দগ্ধ হয় তার মা ও কলেজ ছাত্র অপূর্ব দাস।

পরে মা ও ছেলেকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। দুদিন চিকিৎসাধীন থাকার পর সকালে তার মৃত্যু হয়।

এলাকাবাসী জানায়, সোনারগাঁও পৌরসভার জয়রামপুর গ্রামের বাসিন্দা ও সোনারগাঁও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিসের  কর্মচারী মো.  মিজানুর রহমানের ভাড়াটিয়া বানু রানী দাস ও তার ছেলে অপূর্ব দাস রোববার সকালে মোবাইল চার্জ দেওয়া অবস্থায়  বিদ্যুস্পর্শ হয়ে শরীরে আগুন লেগে মারাত্মকভাবে দগ্ধ  হয়েছে।

নিহত অপূর্ব দাস সোনারগাঁও জি.আর. ইনস্টিটিউশন মডেল স্কুল এন্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্র।

বাড়ির মালিক মিজানুর রহমান জানান, তাদের শরীরে  কিভাবে আগুন লেগেছে তা বলতে পারছি না। তবে সে যখন ঘর থেকে বেরিয়ে আসে তখন তার কানে হেডফোন ও চার্জারের তার জড়ানো ছিল। এ সময় তার মুখ ও বুক ঝলসানো ছিল। ঘরে তার মায়ের মাথার চুল আগুনে পোড়া ছিল। আগুনে খাট, তোশক ও আসবাবপত্র পুড়ে গেছে। অপূর্ব ও তার মাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে  পাঠানো হয়েছে।

তিনি আরো জানান,   চিকিৎসকরা জানিয়েছেন অপূর্ব দাসের শরীরের ৭০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে।

June 07, 2020
এই ডিজিটাল যুগে Youtube চেনে না এমন মানুষ খুব কমই খুজে পাওয়া যাবে । বর্তমান সময়ে Youtube খুব জনপ্রিয় । বিনোদন থেকে শুরু করে প্রায় সব ধরনের ভিডিও Youtube এ পাওয়া যায় । আপনার কাছে শুধু ইন্টারনেট থাকলেই Youtube এর সাহায্যে প্রায় সব ধরনের কাজ করতে পারবেন ভিডিও দেখে । আবার Youtube থেকে টাঁকা ইনকাম করা যায় এটাও এখন সবার ই জানা । শুধু প্রসেস আর একটু মাথা খাটালেই আপনিও ভাল মানের টাঁকা ইনকাম করতে পারবেন । তবে আপনাকে কঠোর পরিশ্রম আর ধৈর্য ধরে কাজ করে যেতে হবে তাহলে দেখবেন আপনার টাকার শেষ নাই । চলুন তাহলে বিস্তারিত শুরু করি ।

Youtube কি?  

 Youtube বর্তমান সময়ে ইন্টারনেট জগতের একটি বহুল জনপ্রিয় ভিডিও শেয়ারিং ওয়েবসাইট । এটির মাধ্যমে মূলত ভিডিও আদান-প্রদান করা হয় । যা Youtube এর সদস্যদের ভিডিও Upload , দর্শন আর আদান-প্রদানের সুবিধা দিয়ে থাকে ।
২০০৫ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে প্রতিষ্ঠিত হয় এই ওয়েবসাইট টি। তবে এই প্রতিষ্ঠানটি দাড় করার পেছনে ছিলেন মূলত PayPal প্রতিষ্ঠানের তিন জন প্রাক্তন চাকুরীজীবি। তারা হলেন চ্যড হারলি, বাংলাদেশী বংশদ্ভুত জাওয়েদ করিম আর স্টিভ চ্যন ।

কিভাবে Youtube থেকে টাকা ইনকাম করবেন ?

Youtube থেকে অনেক ভাবেই টাকা ইনকাম করা যায়। বর্তমানে মানুষ বিভিন্ন উপায় Youtube থেকে টাকা ইনকাম করছে তার হাজার হাজার প্রমানও রয়েছে। আপনিও যদি সেই সুযোগ কাজে লাগাতে চান তাহলে আজই কাজে লেগে যান। এখুন চলুন আলোচনা করি কি কি উপায় Youtube থেকে Money earn করতে পারবেন।

১। নিজের Youtube Channel থেকে

Youtube এ যদি আপনার একটা চ্যানেল থাকে তাহলে আপনি টাকা ইনকাম করতে পারবেন। ভাবছেন শুধু চ্যানেল থাকলেই টাকা আসবে?  এমনটা নয়। চ্যানেল এ ভিডিও থাকতে হবে। ভিডিও গুলো হতে হবে একদম ইউনিক। কোন প্রকার কপিরাইট ভিডিও হলে হবে না। আপনি যে বিষয় খুব ভাল পারেন সেই বিষয় নিয়ে ভিডিও বানিয়ে Youtube এ আপলোড দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারেন। আপনার চ্যানেল যখন বড় হবে তখন বেশি টাকা ইনকাম করতে সহজ হবে । এখন ভাবছেন কিভাবে? চলুন বলে ফেলি।
আপনার চ্যানেল এ যখন ৪ হাজার ঘণ্টা ওয়াচ টাইম আর ১ হাজার Subscriber হবে তখন আপনি Google AdSense এর সাথে আপনার চ্যানেল monetize করে টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
এখন ভাবছেন Google AdSense আর Monetize কি? Google AdSense হল গুগল এর অ্যাড সার্ভিস আর Monetize হলে সেই অ্যাড এর পারমিশন। অর্থাৎ আপনার চ্যানেল Google AdSense এর সাথে যুক্ত হলে আপনার ভিডিও দেখার সময় তাদের অ্যাড গুলো দেখাবে আর যে পরিমান ভিজিট হবে সেই অনুপাতে আপনাকে টাকা দেবে।

Youtube Channel এর জন্য কি কি লাগবে?

  • Youtube Channel বানানোর জন্য একটা Gmail account লাগবে।
  • ভিডিও তৈরি করার জন্য DSLR হলে ভাল হয় তবে বর্তমান স্মার্ট ফোন গুলোর ক্যামেরা খুব ভাল হয় আপনি চাইলে আপনার স্মার্ট ফোন দিয়েও ভিডিও বানাতে পারেন । সাথে আপনার DSLR বা Smart Phone রাখার জন্য একটা Stan or tripod লাগবে এবং সাউন্ড ভাল করার জন্য একটা Microphone ও লাগবে।
  • ভিডিও ইডিট করার জন্য একটা Video Editing Software লাগবে।
আপাদত এ গুলা হলেই আপনি ভিডিও বানাতে পারবেন। যাই হোক এ সব বিষয় নিয়ে আমি পরবর্তীতে আরও কনটেন্ট লিখব তাছাড়া আপনি একটু এ বিষয় নিয়ে ঘাটাঘাটি করলেই সব বুঝতে পারবেন আমি শুধু ধারণা দিলাম।

২। Affiliate Marketing

বর্তমান সময়ে Youtube এর মাধ্যমে Affiliate Marketing করেও মানুষ অনেক টাকা ইনকাম করতেছে।
এখন ভাবছেন Affiliate আবার কি? সংক্ষিপ্ত ভাবে বলবো, Affiliate হচ্ছে অন্য জনের প্রোডাক্ট আপনার মাধ্যমে বিক্রয় হলে আপনাকে ঐ প্রোডাক্টের মালিক কিছু কমিশন দেবে আর এই সিস্টেমই হচ্ছে Affiliate সুতরাং আপনি অন্য জনের প্রোডাক্টের ভিডিও বানিয়ে Youtube এ আপলোড দিয়ে সেখান থেকে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। মূলত আপনি রিভিউ আকারে ভিডিও দিয়ে টাকা ইনকাম করবেন।৩। 
আপনার যদি একটা বিজনেজ অথবা নিজস্ব প্রোডাক্ট থাকে তাহলে আপনি সেই প্রোডাক্ট বিক্রয় করতে পারবেন Youtube এর মাধ্যমে। আপনার প্রোডাক্ট গুলোর ভাল ভাল রিভিউ বানিয়ে Youtube এ আপলোড দিবেন আর সেই ভিডিও দেখে যদি কারো পছন্দ হয় তাহলে আপনার সাথে যোগাযোগ করে সেই প্রোডাক্ট তারা কিনবে।
এখন তো মানুষ এই ভাবে তাদের অনেক প্রোডাক্টই বিক্রয় করছে তাই আমি পার্সোনাল ভাবেই বলবো যদি আপনার ব্যবসা থাকে তাহলে আপনি Youtube এ আপনার প্রোডাক্ট এর মার্কেটিং করতে পারেন।
পরিশেষে আমি বলবো আপনার যদি ইচ্ছা থাকে তাহলে আপনি উপরের বিষয় গুলো থেকে Youtube এর মাধ্যমে টাকা ইনকাম করতে পারবেন। আর আপনি একটু Youtube নিয়ে ঘাটাঘাটি করলে আরও বিভিন্ন ধরনের আইডিয়া পেয়ে যাবেন Youtube থেকে টাকা ইনকাম করার। শুধু আপনার ইচ্ছা শক্তি, ধৈর্য , মেধা আর পরিশ্রম কে কাজে লাগিয়ে লাখ লাখ টাকা ইনকাম করতে পারেন। ভাল থাকবেন,সুস্থ থাকবেন। ধন্যবাদ

June 07, 2020
সম্প্রতি বিশ্বকাপ ও এশিয়ান কাপ ফুটবলের বাছাইপর্বের নতুন তারিখ প্রস্তাব করা হয়েছে বাংলাদেশের। এর পর থেকেই খুব তৎপর জাতীয় দলের কোচ জেমি ডে।
এমনিতে নিয়মিতই ফুটবলারদের সঙ্গে হোয়াটসঅ্যাপে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। করোনাকালে বর্তমানে অবস্থান করছেন ইংল্যান্ডে। এই পরিস্থিতিতেও শিষ্যদের ফিটনেস ধরে রাখতে নানা ধরনের নির্দেশনাও দিয়ে যাচ্ছেন। কারণ বাছাইপর্বের চারটি ম্যাচ এখনও বাকি। সেজন্য প্রয়োজন প্রস্তুতির। তাই একটা পরিকল্পনাও করে রেখেছেন তিনি।
বাছাইপর্বে আগামী ৮ ও ১৩ অক্টোবর হবে দুটি ম্যাচ। প্রথমটি আফগানিস্তান ও পরেরটি কাতারের বিপক্ষে। এরপর ১২ ও ১৭ নভেম্বর যথাক্রমে ভারত এবং ওমানের বিপক্ষে। ডে তাই পর্যাপ্ত সময় নিয়েই মাঠে নামতে চাইছেন। এর মধ্যেই আবার বাফুফের সঙ্গে তার চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো নিয়ে কাজ চলছে। চুক্তির দ্বারপ্রান্তে দু’পক্ষই। তবে এসবের মাঝেই শিষ্যদের নির্দেশনা দিয়ে যাচ্ছেন জাতীয় দলের ইংলিশ এই কোচ।
বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন প্রস্তুতি নিয়ে তার পরিকল্পনার কথা, ‘অনেক দিন ধরেই ফুটবলাররা খেলার মধ্যে নেই। এক দিক দিয়ে তারা অনেক দিন বিশ্রামও পাচ্ছে। যেহেতু বিশ্বকাপ বাছাইয়ের তারিখ প্রাথমিকভাবে ঠিক হয়েছে। তাই আমি মনে করি এর প্রস্তুতির জন্য অন্তত পক্ষে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ সময় প্রয়োজন।’
প্রাথমিক দলে ৩৫ জনের বেশি খেলোয়াড়কে ডাকা হতে পারে। ডের ইচ্ছা সেরকমই, ‘ঘরোয়া ফুটবলে যারা ভালো করেছে, তাদেরকেই ডাকা হবে। সেই সংখ্যা ৩৫ জনের বেশি হবে। নতুন মুখও দেখা যেতে পারে। তাদের নিয়ে পর্যায়ক্রমে চূড়ান্ত দল হবে। বিশ্বকাপ বাছাইয়ের আগে প্রস্তুতি ম্যাচও খেলতে চাই।’
অবশ্য এই সময়ে অনুশীলন ছাড়াও বাড়তি বিষয়ের দিকে খেয়াল রাখা জরুরি বলে মনে করেন এই কোচ, ‘এছাড়া অনুশীলনে সর্বোচ্চ সুবিধা যেন থাকে সেটাও লক্ষ্য রাখতে হবে। এরই মধ্যে খেলোয়াড়দের ফিটনেস ধরে রাখার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আবাসিক ক্যাম্প শুরুর আগে এসব নিয়েও কাজ করতে হচ্ছে।’

June 07, 2020 ,
দেশের ভেতর থেকে কথা উঠেছে আগেই, বহির্বিশ্বে প্রথম সৌরভ গাঙ্গুলীর নামটা উচ্চারণ করেন সাবেক ইংল্যান্ড অধিনায়ক ডেভিড গাওয়ার। তার মতে, আইসিসির সভাপতি হওয়ার যোগ্য সৌরভ গাঙ্গুলী এবং সেটি হলে ভালোই করবেন ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের (বিসিসিআই) বর্তমান সভাপতি।
এরপর সৌরভকে আইসিসির সভাপতি পদে দেখার ইচ্ছাটা জানিয়ে দেন দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক ও বর্তমানে ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার ডিরেক্টর অব ক্রিকেট গ্রায়েম স্মিথ। দক্ষিণ আফ্রিকা সৌরভকে সমর্থন করবে এমনটাও জানিয়ে দেন তিনি। আইসিসির শীর্ষ পদে ভারতের সাবেক অধিনায়ককে এবার ভীষণভাবেই দেখতে চাইছেন আরেক সাবেক বিদেশি ক্রিকেটার। ইনি দানিশ কানেরিয়া।
অবশ্য সাবেক পাকিস্তানি লেগ স্পিনারের এই আকাঙক্ষা ব্যক্ত করা ছাড়া আর কিছু করার হয়তো নেই। তিনি যে স্পট-ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হয়ে আছেন আজীবন! সৌরভকে আইসিসির সভাপতি পদে দেখার বাসনাটা তার এই স্বার্থসংশ্লিষ্ট। কানেরিয়া ভাবছেন সৌরভ আইসিসিতে এলে তিনি তার নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করবেন এবং সুবিচার পেয়ে মুক্ত হবেন।
ভারতের টিভি চ্যানেল যখন কানেরিয়ার কাছে নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে আপিল করবেন কি না জানতে চায়, তখন তিনি বলেন, ‘ হ্যাঁ, আমি (গাঙ্গুলীর কাছে) আপিল করবো এবং নিশ্চিত যে আইসিসি আমাকে সম্ভাব্য সব উপায়েই সাহায্য করবে।’
পাকিস্তানের হয়ে কানেরিয়া টেস্টে কানেরিয়া ২৬১ উইকেট পেয়েছেন, তার চেয়ে বেশি উইকেট পেয়েছেন শুধু পাকিস্তানের তিন কিংবদন্তি পেসার ওয়াসিম আকরাম, ওয়াকার ইউনিস ও ইমরান খান। ইংলিশ কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশিপে এসেক্সের হয়ে খেলতে গিয়ে ২০১২ সালে স্পট-ফিক্সিংয়ের দায়ে নিষিদ্ধ হন কানেরিয়া। প্রথমে অভিযোগ অস্বীকার করলেও ২০১৮ সালে অভিযোগ স্বীকার করে নেন।
৩৯ বছর বয়সী কানেরিয়ার মতে দুর্দান্ত সাবেক ক্রিকেটার সৌরভ গাঙ্গুলী আইসিসির শীর্ষ পদের জন্য আদর্শ এক প্রার্থী, ‘সৌরভ গাঙ্গুলী অসাধারণ এক ক্রিকেটার ছিলেন। তিনি মূল সুরটা (ক্রিকেটের) বুঝতে পারেন। আইসিসির সভাপতি পদে তার চেয়ে ভালো প্রার্থী আর নেই। গাঙ্গুলী দারুণভাবে ভারতকে নেতৃত্ব দিয়েছেন, সেই ধারাটা বয়ে নিয়ে গেছেন  এমএস ধোনি ও বিরাট কোহলি। তিনি বর্তমানে বিসিসিআই সভাপতি এবং আমি বিশ্বাস করি আইসিসির প্রধান হলে  ক্রিকেটকে আরও এগিয়ে নিতে পারবেন।’
কানেরিয়া এমনও মনে করেন আইসিসির সভাপতি হতে পাকিস্তানের সমর্থনও দরকার নেই সৌরভ গাঙ্গুলীর, ‘নিজের যোগ্যতাবলেই তিনি এগিয়ে থাকবেন। আমার মনে হয় না পিসিবির সমর্থনের প্রয়োজন তার লাগবে।

June 07, 2020
ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে অনুষ্ঠেয় আগামী ১০ জুন আইসিসির বোর্ড সভায় যদি ২০২০ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বাতিলের সিদ্ধান্ত হয়েই যায়, তাহলে অক্টোবর-নভেম্বরের উইন্ডোতেই ভারতের টি-২০ লিগ আইপিএল হতে পারে বলে ধারণা আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সমাজের। এমনটা হলে, শোনা যাচ্ছিল, করোনাভাইরাস মহামারির বর্তমান পরিস্থিতিতে আইপিএল আয়োজনের প্রস্তাব দিতে পারে সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রিকেট বোর্ড।
শনিবার গালফ নিউজে প্রকাশিত এক প্রতিবেদন জানালো সংযুক্ত আরব আমিরাত ক্রিকেট বোর্ড সত্যিই আইপিএল আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে (বিসিসিআই)। ‘অতীতে আমরা সফলভাবে আইপিএলের ম্যাচ আয়োজন করেছি আরব আমিরাতে। দ্বিপক্ষীয় বা বহুজাতিক অনেক টুর্নামেন্ট অতীতে সফলভাবে আয়োজনের পরীক্ষিত রেকর্ড আছে আমাদে’-ইউএই ক্রিকেট বোর্ডের সাধারণ সম্পাদক মুবাশ্বির উসমানকে এভাবেই উদ্ধৃত করে লিখেছে পত্রিকাটি।
‘আমাদের অত্যাধুনিক ক্রিকেট ভেন্যু ও অবকাঠামো যেকোনও ক্রিকেট আয়োজনের জন্যই অতি কাঙ্ক্ষিত স্থান হয়ে উঠেছে’-এমনটা দাবি করে উসমানি বলেছেন, ‘ইউএই ক্রিকেট বোর্ড প্রকৃতপক্ষে ইংল্যান্ড ও ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডকেও তাদের ক্রিকেট মৌসুম সম্পন্ন করার জন্য নিজেদের ভেন্যু ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা ইংল্যান্ড ও ভারতের সাহায্যে এগিয়ে এসেছি এবং আমাদের ভেন্যু ব্যবহারের প্রস্তাব দিয়েছি। অতীতে অনেকবার ইংল্যান্ডের ম্যাচ হয়েছে এখানে। যদি এই দুই বোর্ড আমাদের প্রস্তাবে সম্মত হয়, আমরা খুশিমনেই তাদের ম্যাচ আয়োজনের দায়িত্ব নেবো।’
এদিকে শ্রীলঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটও ১৩তম আইপিএল আয়োজনের প্রস্তাব দিয়েছে ভারতকে, যদি ভারতের বোর্ড বিদেশের মাটিতে সেটি আয়োজনের সিদ্ধান্ত নেয়।
বিত্তশালী আইপিএল এবার শুরু হওয়ার কথা ছিল গত ২৯ মার্চ থেকে। কিন্তু হঠাৎই বিশজুড়ে করোনাভাইরাস হানা দেওয়ায় সেটি স্থগিত হয়ে যায় অনির্দিষ্টকালের জন্য। সবার অনুমান, আগামী টি-২০ বিশ্বকাপ বাতিল হয়ে গেলে ওই উইন্ডো কাজে লাগিয়ে তা আয়োজন করতে পারে ভারতের ক্রিকেট বোর্ড। অস্ট্রেলিয়ায় ২০২০ টি-২০ বিশ্বকাপ হওয়ার কথা আগামী ১৮ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে। কিন্তু ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার মধ্যে কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে দর্শকশূন্য স্টেডিয়ামে সেটির আয়োজন কতটা ফলপ্রসূ ও অর্থবহ হবে সেটি নিয়ে উদ্বেগ আছে ক্রিকেট বিশ্বের।

June 07, 2020
টমেটো একটি অতি প্রয়োজনীয়, জনপ্রিয় এবংপুষ্টিকর সবজি। এটি ভিটামিন এ এবং সি-এর অন্যতম উৎস। কাঁচা ও রান্না করে-এ দুইভাবেই টমেটো খাওয়া যায়। টমেটো বিভিন্নভাবে ব্যবহৃত হয় যেমন জ্যাম, জেলি, সস্, কেচাপ, আচার, সালাদ ইত্যাদি। টমেটোর পুষ্টিমান পাকা টমেটোর ভক্ষণযোগ্য অংশের প্রতি ১০০ গ্রামে পুষ্টি উপাদানসমূহ নিম্ন লিখিত পরিমাণে পাওয়া যায়;
টমেটো চাষের জন্য জলবায়ুঃ
টমেটো এদেশে রবি বা শীতের ফসল হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট  থেকে গ্রীষ্মকালীন টমেটোর জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। রাতের তাপমাত্রা ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর নিচে থাকলে তা গাছের ফুল ও ফল ধারণের জন্য বেশি উপযোগী। গড় তাপমাত্রা ২০-২৫ ডিগ্রি সে. টমেটোর ভালো ফলনের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। রাতের তাপমাত্রা ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর কম হলে টমেটোতে ফল হয় না।
মাটির বৈশিষ্ট্যঃ
আলো-বাতাসযুক্ত উর্বর দো-আঁশ মাটি টমেটো চাষের জন্য সবচেয়ে ভালো। তবে উপযুক্ত পরিচর্যা বেলে দো-আঁশ থেকে এঁটেল দো-আঁশ সব মাটিতেই টমেটোর ভালো জন্মে। মাটির অম্লতা ৬-৭ হলে ভালো হয়। মাটির অম্লতা বেশি হলে জমিতে চুন প্রয়োগ করা দরকার।
চাষের মৌসুমঃ
টমেটো দীর্ঘমেয়াদী একটি ফসল। বীজ বোনা থেকে শুরু করে গাছের প্রথম ফল পাকা পর্যন্ত কমপক্ষে ১০০ দিন লাগে এবং ফলধারণ জাতভেদে ৩০-৬০ দিন স্থায়ী হয়। এ জন্য রবি মৌসুমের অনুকূল আবহাওয়ার সম্পূর্ণ সুযোগ নিতে হলে মৌসুম আসার আগেই চাষের আয়োজন করতে হবে।
#    বর্ষাকালের চাষের জন্য এপ্রিল থেকে জুন মাস পর্যন্ত এবং আগাম জাতের ক্ষেত্রে জুলাই থেকে আগস্ট মাস এবং শীতকালীন চাষের জন্য সেপ্টেম্বর থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত চারা উৎপাদনের জন্য বীজতলায় বীজ বপন করা যায়।
বীজতলা তৈরিঃ
চারা তৈরির দুই মাস আগে বীজ বপনের জন্য বীজতলা তৈরির প্রস্তুতি নিতে হবে। বীজতলায় নির্দিষ্ট পরিমাণ জৈব সার এবং নি¤œলিখিত অন্যান্য সার এবং রাসায়নিক পদার্থ প্রয়োগ করতে হবে।
বীজতলায় বীজ বপনঃ
বীজ বোনার আগে  প্রোভক্স/ব্যাভিস্টিন বা ভিটাভ্যাক্স বা সিনকার দ্বারা বীজ শোধন করে নিতে হবে। সুস্থ সবল চারা উৎপাদনের জন্য প্রথমে ১০ গ্রাম মানসম্মত ভাল বীজ ঘন করে প্রতিটি বীজতলায় (বীজ তলার আয়তন হবে দৈর্ঘ্য ১ মিটার ও প্রস্থ ৩ মিটার) বুনতে হয়।এই হিসেবে প্রতি হেক্টরে (প্রায় ২৫০ শতক)) ২০০ গ্রাম (১ গ্রাম/শতাংশ) বীজ বুনতে (গজানোর হার ৮০%) ২০টি বীজতলার প্রয়োজন।গজানোর ৮-১০ দিন পর চারা দ্বিতীয় বীজতলায় প্রতিটি চারা ৪ সেমি. দূরত্বে স্থানান্তর বা রোপণ করতে পারলে ভালো হয়।এক হেক্টর জমিতে টমেটো চাষের জন্য এ রকম ২০-২২টি বীজতলার প্রয়োজন হয়।বীজতলায় প্রতি ইঞ্চিতে ৪০-৬০টি ছিদ্রযুক্ত নাইলন নেট দিয়ে ঢেকে চারা উৎপাদন করলে চারা অবস্থায়ই সাদা মাছিপোকার কারণে পাতা কোঁকড়ানো ভাইরাস রোগ ছড়ানোর হাত থেকে নিস্তার পাওয়া যায়। এ রকম সুস্থ সবল ও ভাইরাসমুক্ত চারা রোপণ করে ভালো ফলন পাওয়া যায়।অতিরিক্ত বৃষ্টি ও রোদের হাত থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজনে পলিথিন ও চাটাই এর আচ্ছাদন ব্যবহার করা দরকার ।
বীজের পরিমাণঃ
বীজতলায় বীজ বপনের ক্ষেত্রে শতাংশ জমি প্রতি ১ গ্রাম (২০০ গ্রাম/হেক্টর) বীজ লাগে। তবে জাত ভেদে বীজের পরিমাণ ভিন্ন হতে পারে।
মূল জমি তৈরিঃ
জমি ভালভাবে চাষ দিয়ে বেড তৈরি করে নিতে হবে।
সারের পরিমাণ ও প্রয়োগঃ
টমেটো গাছ মাটি থেকে প্রচুর পরিমাণ খাদ্য উৎপাদন গ্রহণ করে। বৃদ্ধির প্রাথমিক পর্যায়ে খাদ্যের অভাব হলে গাছ দ্রুত বাড়ে না এবং পরবর্তী পর্যায়ে খাদ্যের ঘাটতি ফলণ অনেক কমিয়ে দেয়। মাটি পরীক্ষা করে জমির চাহিদা অনুযায়ী সার প্রয়োগ করাই সবচেয়ে ভাল। তবে গড়পড়তায় টমেটো চাষের জন্য প্রতি শতাংশ জমিতে যে সারের দরকার হয় তা হলোঃ
সার প্রয়োগ পদ্ধতিঃ
ইউরিয়া ও এমওপি সার ব্যতীত বাকি সব সার মূলজমি তৈরির সময় প্রয়োগ করতে হবে এবং মাটির সাথে ভালোভাবে মিশিয়ে ফেলতে হবে। তবে দস্তা ও টিএসপি এক সাথে প্রয়োগ করা উচিত নয়। ইউরিয়া ও এমওপি সার সমান তিন ভাগে ভাগ করে তিনবারে উপরি প্রয়োগ করতে হবে। প্রথম ভাগ চারা রোপণের ১০-১৫ দিন পর, দ্বিতীয় ভাগ চারা রোপণের ২৫-৩০ দিন পর, তৃতীয় ভাগ চারা রোপণের ৪০-৪৫ দিন পর উপরি প্রয়োগ করতে হবে।
চারা রোপণঃ
চারার বয়স ২৫-৩০ দিন অথবা ৪-৬ পাতা হলে মূল জমিতে রোপণ করতে হবে।বীজতলা থেকে চারা অত্যন্ত যতœ সহকারে তুলতে হবে যাতে চারা শিকড় ক্ষতিগ্রস্ত না হয়। এ জন্য চারা তোলার আগে বীজতলার মাটি ভিজিয়ে নিতে হবে।চারা রোপণের আগে উপড়ে তোলা চারাগাছটির গোড়া (শিকড়) ২% ইউরিয়া +২% বোরিক এসিড দ্রবণে ডুবিয়ে নিলে চারা গাছটি তাৎক্ষণিকভাবে খাবার পায়। ফলে পাতা হলুদ বা বিবর্ণ হবে না।প্রথমে ১ মিটার চওড়া বেড তৈরি করে নিতে হবে। প্রতি বেডে দুই লাইন করে চারা রোপণ করতে হবে। লাইন থেকে লাইনের দূরত্ব হবে ৬০ সেমি. এবং প্রতি লাইনে চারা থেকে চারা ৬০ সেমি. দূরত্বে লাগাতে হবে।একটি বেডে দুই লাইনে টমেটোর চারা রোপণ করার ক্ষেত্রে চারাগুলো ত্রিভূজ আকৃতিতে লাগাতে হবে।বিকেলের পড়ন্ত রোদে চারা রোপণ করাই উত্তম এবং লাগানোর পর গোড়ায় হালকা সেচ প্রদান করতে হবে।
সেচ ও নিষ্কাশনঃ
চারা রোপণের ৩-৪ দিন পর পর্যন্ত হালকা সেচ ও পরে প্রতি কিস্তিতে সার উপরি প্রয়োগের পর জমিতে সেচ দিতে হয়। গ্রীষ্ম মৌসুমে টমেটো চাষের জন্য ঘন ঘন সেচের প্রয়োজন হয়। বর্ষা মৌসুমে তেমন একটা সেচের প্রয়োজন হয় না। টমেটো গাছ জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। সেচ অথবা বৃষ্টির অতিরিক্ত পানি দ্রুত নিষ্কাশনের জন্য নালা পরিমিতি চওড়া (৩০-৪০ সেন্টিমিটার) এবং এক দিকে সামান্য ঢালু হওয়া দরকার। সেচ দেওয়ার সময় খেয়াল রাখতে হবে, সেচের পানি কখনোই যেন বেডের উপর উঠে না আসে। নালাতে সেচ দিতে হবে, নালা থেকে শোষণের মাধ্যমে বেড ও গাছ পানি সংগ্রহ করতে হবে।
আচ্ছাদনের ব্যবস্থাঃ  সূর্যের প্রখরতা থেকে চারা গাছকে বাঁচানোর জন্য ছায়াদানের ব্যবস্থা করতে হবে।
মালচিংঃ প্রতিটি সেচের পরে মাটির উপরি ভাগের চটা বা চাকামাটি ভেঙে দিতে হবে যাতে মাটিতে পর্যাপ্ত বাতাস চলাচল করতে পারে।
আগাছা দমনঃ টমেটোর জমিতে প্রয়োজনীয় নিড়ানি দিয়ে আগাছামুক্ত রাখতে হবে।
বিশেষ পরিচর্যাঃ 
#   প্রথম ফুলের গোছার ঠিক নিচের কুশিটি ছাড়া নিচের সব পার্শ্বকুশি ছেঁেট দিতে হবে।
#   বাউনিয়া দেয়া-গাছে বাঁশের খুঁটি দিয়ে ঠেকনা দিতে হবে।
ফসল তোলাঃ
#    ফলের নিচে ফুল ঝরে যাওয়ার পর যে দাগ থাকে ঐ স্থান থেকে লালচে ভাব শুরু হলেই বাজারজাতকরণের জন্য ফল সংগ্রহ করতে হবে। এতে ফল অনেকদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়।
#    অপরিপক্ব অবস্থায় ফল তুলে হরমোন প্রয়োগে ফল পাকানো হলে ফলের স্বাভাবিক স্বাদ ও পুষ্টিগুণ নষ্ট হয় এবং ফলনও কম হয়। তাই এভাবে ফলন সংগ্রহ ও পাকানো মোটেই সমীচিন নয়।
মেয়াদঃ ১০০-১৪০ দিন।
ফলনঃ জাত ভেদে ফলন ১৫-৫০ টন/একর হয়। মৌসুম, জাত, আবহাওয়া এবং পরিচর্যা অনুযায়ী প্রতি একর জমিতে ৫০ টনের বেশি টমেটো পাওয়া সম্ভব।
টমেটোর জাতঃ
মৌসুম অনুযায়ী এ দেশে চাষযোগ্য টমেটো জাতসমূহকে মোটামুটিভাবে নিম্নলিখিত শ্রেণীসমূহে ভাগ করা যেতে পারে:
আগাম জাতঃ এসব জাত শীতকালেই হয়, তবে আগাম ফলে। আগাম জাতসমূহের বীজ বপন করা হয় জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর মাসে। আগাম জাতসমূহের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল বারি টমেটো ৪, বারি টমেটো ৫, রোমা ভিএফ, রোমারিও, টিপু সুলতান, গ্রেট পেলে, ডেল্টা এফ ১, উন্নয়ন এফ ১, পুষারুবী, নিউ রূপালী এফ ১ ইত্যাদি।
ভরা মৌসুমী জাতঃ শীতকালে স্বাভাবিক সময়েই এসব জাতের গাছে ফল ধরে। সেপ্টেম্বর-অক্টোবর মাসে বীজ বুনে অক্টোবর-নভেম্বরে এসব জাতের টমেটোর চারা রোপণ করা হয়। অধিকাংশ জাতই শীতকালে ফলে। এসব জাতের মধ্য থেকে মানিক, রতন, বারি টমেটো ৩, বারি টমেটো ৬, বারি টমেটো ৭, বারি টমেটো ৯, বাহার, মহুয়া ইত্যাদি জাতকে বেছে নেয়া যেতে পারে।
নাবি শীত মৌসুমী জাতঃ এসব জাতের বীজ বুনতে হয় জানুয়ারিতে, ফল পাওয়া যায় মার্চ-এপ্রিল পর্যন্ত। বাহার, রোমা ভিএফ, রাজা, সুরক্ষা ইত্যাদি জাত নাবি চাষের জন্য ভাল।
সারা বছর চাষের উপযোগি জাতঃ বছরের যে কোন সময় টমেটোর বীজ বুনলে চারা ও সেসব চারা লাগালে গাছ হয় সত্য, এমনকি সেসব গাছে ফুলও আসে। কিন্তু সব জাতের গাছে ফল ধরে না। এজন্য সারা বছর চাষের উপযোগি জাত যেমন বারি টমেটো ৬ (চৈতী) চাষ করা যায়।
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা উদ্ভাবিত টমেটোর উন্মুক্ত (OP) জাত গুলির সংক্ষিপ্ত বৈশিষ্ট নিম্নে দেয়া হলো:
গ্রীষ্ম ও বর্ষায় চাষ পদ্ধতি:
গ্রীষ্ম ও বর্ষাকালে টমেটো চাষ করার জন্য বারি-৪ হাইব্রিড টমেটো জাত অনুমোদন করা হয়েছে।২৩০ সেন্টিমিটার (প্রায় ৯০ ইঞ্চি) চওড়া (মাঝে ৩০ সেন্টিমিটার নালাসহ) ২টি বেডে লম্বালম্বিভাবে একটি করে ছাউনির ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ছাউনির দু’পাশে উচ্চতা ১৩৫ সেন্টিমিটার ও মাঝখানের উচ্চতা ১৮০ সেন্টিমিটার হয়।চারা লাগানোর আগেই জমিতে নৌকার ছইয়ের আকৃতি করে ছাউনি দিতে হয়। ছাউনির জন্য বাঁশ, স্বচ্ছ পলিথিন, নাইলনের দড়ি ও পাটের সুতলি প্রয়োজন। পলিথিন যাতে বাতাসে উড়ে না যায় সেজন্য ছাউনির ওপর দিয়ে উভয় পাশ থেকে আড়াআড়িভাবে দড়ি পেঁচানো হয়ে থাকে।পাশাপাশি দুই ছাউনির মাঝে ৫০ সেন্টিমিটার চওড়া নিষ্কাশন নালা রাখতে হবে। জমি থেকে বেডের উচ্চতা ২০-২৫ সেন্টিমিটার হতে হবে। প্রতিটি ছাউনিতে ২টি বেডে ৪টি সারি থাকবে। ২৫-৩০ দিন বয়সের চারা প্রতি বেডে ২ সারি করে রোপণ করতে হবে।গ্রীষ্মকালীন টমেটো গাছে প্রচুর ফুল ও করলেও উচ্চ তাপমাত্রা পরাগায়নে বিঘœ ঘটায়। কাজেই আশানুরূপ ফলন পেতে হলে ‘টমাটোটোন’ নামক কৃত্রিম হরমোন ২ সেমি. ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে ছোট সিঞ্চনযন্ত্রের সাহায্যে সপ্তাহে দুইবার শুধুমাত্র সদ্য ফোটা ফুলে স্প্রে করতে হবে।তবে নতুন উদ্ভাবিত হাইব্রিড জাতসমূহের হরমোন প্রয়োগ ছাড়াও লাভজনক ফলন পাওয়া যায়।

যোগাযোগের ফর্ম

Name

Email *

Message *

Theme images by merrymoonmary. Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget